জামাই শাদাবের মন্তব্য পছন্দ হয়নি সাকলাইনের

পাকিস্তান ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের পর বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং শাদাব খানের সমালোচনা করেন শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ ইউসুফের মতো ক্রিকেটাররা। তাদের সমালোচনার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন শাদাব। সাবেক ক্রিকেটারদের এভাবে ‘অসম্মান’ করার বিষয়টি ভালোভাবে নেননি সাকলাইন মুশতাক। শাদাবের শ্বশুর মনে করিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে না জিতলেও তারা বড় বড় ম্যাচ জিতেছেন।

বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারত ম্যাচ খেলে পাকিস্তান। আইসিসির অন্যান্য আসরের মতো চলতি বিশ্বকাপের ম্যাচে একেবারেই পাত্তা পায়নি তারা। সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, বাবর, সালমান আলী আঘাদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৬১ রানে পারে পাকিস্তান। এমন হারের পর জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ধুয়ে দিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটাররা।

বিশেষ করে শাদাব, শাহীন আফ্রিদি, বাবরদের তুমুল সমালোচনা করেছেন শহীদ আফ্রিদি, সাকলাইন, ইউসুফরা। সুযোগ থাকলে জামাতা শাহীন আফ্রিদির পাশাপাশি বাবর, শাদাবদের টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দিতেন আফ্রিদি। অভিজ্ঞ তিন ক্রিকেটারকে অবসর নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাদের এমন সমালোচনা ভালোভাবে নেননি শাদাব।

নামিবিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে তারকা অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমাদের সাবেক ক্রিকেটারদের নিজস্ব মতামত আছে। তারা পাকিস্তানের হয়ে অনেক ভালো করেছেন। তবে দিনশেষে, তারাও তো এমন কিছু করতে পারেননি (বিশ্বকাপে ভারতকে হারানো)। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র জয়টি আমাদেরই। ব্যাপারটি (ব্যর্থতা) তো শুধু আমাদের নয়। সব মিলিয়েই বিশ্বকাপে আমরা কেবল একবারই হারিয়েছি ভারতকে।’

শাদাবের এমন মন্তব্য পছন্দ হয়নি সাকলাইনের। টেলিকম এশিয়া স্পোর্টের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘ওই মন্তব্যগুলো খুবই অপ্রত্যাশিত ছিল এবং বেশিরভাগ ক্রিকেটারই আমার সঙ্গে খেলেছেন। সত্যি বলতে আমিও তাদের একজন যারা আইসিসির টুর্নামেন্টে জিততে পারিনি কিন্তু পাকিস্তানের হয়ে অনেক বড় ম্যাচ জিতেছি। সেটা টেস্ট হোক কিংবা ওয়ানডে হোক।’

তারকা অলরাউন্ডারের মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও (পিসিবি)। সংবাদ সম্মেলন শেষে টিম ম্যানেজার নাভিদ চিমার মাধ্যমে শাদাবকে বলা হয়েছে সাবেক গ্রেট ক্রিকেটারদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। টেলিকম এশিয়া স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিমার মাধ্যমে সব খেলোয়াড়কে বলা হয়েছে যাতে ম্যাচের বাইরে কথা না বলে। পাশাপাশি সীমা লঙ্ঘন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেটা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টেলিকম এশিয়া স্পোর্টকে একটি সূত্র বলেন, ‘বুধবার রাতে নাভিদ চিমা শাদাব খানকে ফোন করে জানিয়েছেন সে সীমা লঙ্ঘন করেছে। শাদাবের জানা উচিত ছিল তার শ্বশুর সাকলাইন মুশতাকসহ সকল সাবেক ক্রিকেটার সম্মাানিত এবং পাকিস্তানের গ্রেট। শাদাবের তাদেরকে সম্মান করা উচিত ছিল এবং এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি।’

আরো পড়ুন: