বিশ্বকাপে আমার বড় লক্ষ্য ছিল সেঞ্চুরি করা: নিশাঙ্কা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
সেঞ্চুরির পর পাথুম নিশাঙ্কা, এএফপি
সেঞ্চুরির পর পাথুম নিশাঙ্কা, এএফপি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে নাম লিখিয়েছে শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ১৮২ রানের লক্ষ্য ২ ওভার হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে লঙ্কানরা। সেঞ্চুরি করে দলকে বড় জয় এনে দিতে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন পাথুম নিশাঙ্কা। ৫২ বলে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি।

তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন কুশল মেন্ডিস। দ্বিতীয় উইকেটে মেন্ডিসকে নিয়ে ৩৮ বলে ৫১ রান যোগ করেন নিশাঙ্কা। আর তাতেই জয় তুলে নিতে বেগ পেতে হয়নি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের। ম্যাচ শেষে নিশাঙ্কা জানিয়েছেন তাদের লক্ষ্য ছিল পাওয়ার প্লেটা দেখে শুনে খেলা এবং এরপর চড়াও হওয়া। সেই পরিকল্পনাতেই অজিদের হারিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

নিশাঙ্কা বলেছেন, 'প্রথম উইকেট হারানোর পর কুশল আর আমি ঠিক করেছিলাম, পাওয়ার প্লেটা ভালোভাবে খেলব। ও ভালো শুরু করেছিল, এতে আমার জন্য ব্যাপারটা সহজ হয়ে যায়। আমরা ভেবেছিলাম কিছুটা শিশির পড়বে। তাই পরিকল্পনা ছিল, সেটি আসা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাটিং করব। ১২ ওভার শেষে পরিস্থিতি বুঝে আমাদের একজন আক্রমণে যাবে।'

১৩তম ওভারে মেন্ডিস আউট হওয়ার পর গতি আরও বাড়ান নিশাঙ্কা। শেষ ২০ বলে তিনি একাই তোলেন ৫০ রান। এ সময় মারেন পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কা। ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে পৌঁছে যান তিন অঙ্কে। আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তিনি এবং মেন্ডিস অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন নিশাঙ্কা।

তিনি যোগ করেন, 'এই বিশ্বকাপে আমার বড় লক্ষ্য ছিল একটি সেঞ্চুরি করা। সেটি করতে পেরে আমি খুব খুশি। আমরা এর আগে এই উইকেটে খেলেছি, জানতাম এটি ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। কুশল আর আমি যেভাবে ব্যাট করেছি, তাতে অস্ট্রেলিয়া আমাদের বিপক্ষে ঠিকমতো বোলিং করতে পারেনি।'

নিশাঙ্কার অবদান শুধু ব্যাটেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দারুণ এক ক্যাচ নেন, যখন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের একটি শটে দ্রুতগতির বল লাফিয়ে উঠে বাম দিকে ঝাঁপিয়ে ধরে ফেলেন। আগের ওভারেই লং অনে ম্যাক্সওয়েলের সহজ একটি ক্যাচ ফেলেছিলেন নিশাঙ্কা। সেই আক্ষেপই যেন তাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

সেই ক্যাচ নিয়ে নিশাঙ্কা বলেন, 'প্রথম ক্যাচটি হাতছাড়া হওয়ার পর আমি হতাশ ছিলাম, কারণ জানতাম ওর উইকেটটা আমাদের দরকার। তখনই ঠিক করি, দলের জন্য বিশেষ কিছু করতে হবে। আমার মনে হয়েছিল, ওই সময়ে সে রিভার্স সুইপ খেলতে পারে। তাই ফিল্ডিংয়ের সময় সেটির জন্য প্রস্তুত ছিলাম। সৌভাগ্যবশত আমি ক্যাচটি নিতে পেরেছি।'

আরো পড়ুন: