বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট পাকিস্তানের, যা বলছে বিসিসিআই

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। দেশটির সরকারের এমন সিদ্ধান্তের পর ক্ষোভে ফুঁসছেন সুনীল গাভাস্কার, মদন লাল, আকাশ চোপড়ার মতো ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা। তবে ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায় না বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই), এমনটাই জানিয়েছেন রাজীব শুক্লা।

নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ। ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য চিঠি চালাচালির পাশাপাশি আইসিসির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে ভারত থেকে ম্যাচ সরাতে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে রাজি করাতে পারেনি বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দেয় আইসিসি।

বাংলাদেশের সঙ্গে এমন আচরণ করায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানান মহসিন নাকভি। পিসিবির চেয়ারম্যান সেই সময় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারেন তারা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গেও বৈঠক করেন নাকভি। বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি পেলেও ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কটের জন্য পাকিস্তান দলকে নির্দেশ দেয় সরকার।

পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তের একটু পরই প্রতিক্রিয়া দেখায় আইসিসি। ক্রিকেটের স্বার্থে তাদের সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে তারা। পাকিস্তান সরকার ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথা বললেও কোনো কারণ দেখায়নি। এ দিকে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তে পুরো ক্রিকেট দুনিয়া নেড়েচেড়ে বসলেও এখনো মুখে তালা দিয়ে রেখেছে বিসিসিআই। রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, আইসিসির সঙ্গে কথা না বলে তারা মন্তব্য করতে চান না।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে আলাপকালে বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি বলেন, ‘আইসিসি বড় ধরনের বিবৃতি দিয়েছে। তারা স্পোর্টসম্যানশিপের কথা বলেছে। আমরা আইসিসির সঙ্গে একমত। আইসিসির সঙ্গে কথা না বলা পর্যন্ত বিসিসিআই এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না।’

ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ না হলে বড় লোকসানের মুখে পড়তে হবে আইসিসি ও টুর্নামেন্টের সঙ্গে সম্পৃ্ক্ত ব্রডকাস্টার-বিজ্ঞাপন সংস্থারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মতো। যেখানে আইসিসিরই ক্ষতি হতে পারে ২০০ কোটি রুপি।

আরো পড়ুন: