বিশ্বকাপের গত আসরের দলে থাকলেও এবার জায়গা হয়নি ওটেনিল বার্টম্যানের। বিশ্বকাপের পর ২৯ ম্যাচের মধ্যে বার্টম্যান খেলেছেন কেবল ১১টিতে। এসএ টোয়েন্টির গত আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন এই পেসার। তিনি মার্কো জানসেনকে টপকে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছিলেন।
সাউথ আফ্রিকার নির্বাচক কমিটির আহ্বায়ক প্যাট্রিক মরোনি জানিয়েছিলেন এসএ টোয়েন্টির পারফরম্যান্স বিশ্বকাপ দলে প্রভাব ফেলবে। তবে সেই কথা খুব একটা কাজে লাগাতে দেখা যায়নি তাদের। তবে দলটিতে আছেন একঝাক পেসার। অভিজ্ঞ কাগিসো রাবাদার সঙ্গে আছেন লুঙ্গি এনগিডি, জানসেন, করবিন বশ, কিউনা মাফাকা ও অ্যানরিখ নরকিয়া।
এই পেসারদের মধ্যে বৈচিত্রের অভাব দেখছেন সাবেক প্রোটিয়া তারকা ডেল স্টেইন। এনগিডি স্লোয়ার ও কাটার দিতে পারেন। জানসেনরা গতি দিয়ে ভড়কে দিতে পারেন ব্যাটসম্যানদের। তবে বৈচিত্রের জন্য বার্টম্যানের স্কোয়াডে থাকা উচিত ছিল বলে মনে করেন স্টেইন।
এই সাবেক পেসার এক টুইটে লিখেছেন, 'সে এসএ টোয়েন্টির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি, লিগ জিতেছে দুইবার এবং আরেকবার ফাইনাল খেলেছে। মনে করিয়ে দিই, এই টুর্নামেন্টে প্রতি দলে চারজন বিদেশি খেলোয়াড় (বেশিরভাগই ব্যাটসম্যান) থাকে, সঙ্গে সব দেশি খেলোয়াড়ও। সে এক নম্বর। এটা শীর্ষমানের পারফরম্যান্স, অথচ এ বছরের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে বাড়িতেই বসে থাকবে।'
সাউথ আফ্রিকার স্কোয়াডের বেশিরভাগ আলোচনা হচ্ছে ব্যাটসম্যানদের নিয়ে, বিশেষ করে জেসন স্মিথ ও টনি ডি জর্জির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে। তবে যারা উইকেটশিকারিদের তালিকার দিকে তাকিয়ে আছেন, তারা প্রশ্ন তুলবেন বার্টম্যানকে নিয়েই। অভিজ্ঞ ব্যাটার ডেভিড মিলার অবশ্য বিষয়টি বেশ স্বাভাবিক ভাবেই নিয়েছেন।
তিনি নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, 'এটা ছেলেদের জন্য সত্যিই কঠিন। আমি নিজেও একসময় এমন অবস্থার মধ্যে পড়েছি—২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ আর ২০১২ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলে থেকেও শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েছিলাম। এটা বড় ধাক্কা। তাদের জন্য খারাপ লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, স্কোয়াডে মাত্র ১৫ জনের জায়গা। শেষ পর্যন্ত বিষয়টা এমনই।'
মিলার বার্টম্যান সম্পর্কে বলেন, 'আমি জানি, সে ক্রিকেট খেলাটাকে ভীষণ ভালোবাসে এবং অবদান রাখতে চায়—সে সুযোগ পাক বা না পাক। সে খেলাটাকে ভালোবাসে। মানসিকভাবে সে ঠিক ওই জায়গাতেই আছে।'