এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। তানজিম হাসান সাকিব জানিয়েই দিয়েছেন, পরেরবার থেকে আইপিএলে নাম দেয়ার আগে বেশ কয়েকবার ভাববেন তারা।
গণমাধ্যমকে তানজিম বলেন, 'আইপিএল থেকে ওনাকে কেন সরানো হলো বা কেন এমন হলো এটা আসলে আমরা জানি না। রাজনৈতিক ইস্যু থাকতে পারে, তবে ক্রিকেটে রাজনীতি না আসাই ভালো। আমরা প্লেয়ার হিসেবে আইপিএল খেলার ইচ্ছা রাখি এবং সেই হিসেবেই নাম দিই। পরের বছর কি হবে সেটা এজেন্ট এবং দেশের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।'
মুস্তাফিজকে দলে নেয়ার পর থেকেই কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দলের মালিক শাহরুখ খানের বিপক্ষে সমালোচনা শুরু হয়। বিজেপি ও শিব সেনার একাধিক রাজনৈতিক নেতা জাতীয় অনুভূতি উপেক্ষা করার অভিযোগ তোলেন।
এরপরই মুস্তাফিজকে দল থেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য কলকাতাকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। নির্দেশনা পেয়ে এক দিনও দেরি করেনি কলকাতা। আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে মুস্তাফিজকে দল থেকে সরিয়ে দেয় তারা।
মুস্তাফিজ ইস্যুতে বিসিবির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলতি বছর আইপিএলের সম্প্রচার বা এই সংক্রান্ত কোনো অনুষ্ঠানও যেন প্রচার না করা হয়।
একইসাথে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কায় বাংলাদশের ম্যাচগুলো স্থানান্তরের জন্য আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি।