দাপুটে জয়ের পর প্লে অফে চোখ কলকাতার

আইপিএল
আজিঙ্কা রাহানে, ফাইল ফটো
আজিঙ্কা রাহানে, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়েও একসময় চাপে পড়ে গিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। স্কোরবোর্ডে আড়াইশ'র কাছাকাছি রান থাকার পরও ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ২৯ রানের জয় তুলে নিয়ে স্বস্তির হাসি ফুটেছে দলের শিবিরে। এই জয় নিয়ে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসে ভাসতে চান না অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে। তার চোখ এখন সামনের দুই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে।

জয়ের পর রাহানে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, দল একবারে একটি ম্যাচ নিয়েই ভাবতে চায়। প্লে-অফের সমীকরণ বা বাড়তি হিসাব আপাতত মাথায় আনতে রাজি নন তিনি। ব্যাট হাতে ফিন অ্যালেন, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও ক্যামেরন গ্রিনের ইনিংস দলের ভিত গড়ে দিয়েছে বলেও মনে করেন কলকাতার অধিনায়ক।

ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে দুই উইকেটে ২৪৭ রান তোলে কলকাতা। রাহানে ১৪ রানে ফিরলেও ৩৫ বলে ১০ ছক্কায় ৯৩ রান তোলেন অ্যালেন। এরপর রঘুবংশী ৪৪ বলে ৮২ এবং গ্রিন ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ম্যাচ শেষে রাহানে বলেন, 'খুব ভালো ম্যাচ হয়েছে। এই দুই পয়েন্ট আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে। অ্যালেন, অঙ্গকৃশ ও গ্রিন যেভাবে ব্যাট করেছে, তা সত্যিই দেখার মতো ছিল। প্রত্যেক ক্রিকেটারই ম্যাচের আগে দারুণ প্রস্তুতি নেয়, সেই পরিশ্রমের ফলই মাঠে পাওয়া গেছে।'

গুজরাটের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে কলকাতার ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাস বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে রাহানেকে, 'নিজেদের সামর্থ্যের উপর বিশ্বাস থাকলে এমন ক্রিকেটই খেলা সম্ভব। ছেলেদের মানসিকতা শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিল।'

পয়েন্ট তালিকায় ১২ ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে আছে কলকাতা। আসরে শেষ দুটি ম্যাচ দলটি খেলবে টেবিলের নিচে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে। আশা নিয়ে রাহানে বলেন, 'আমরা একটা করে ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই।'

ম্যাচের মোড় ঘুরেছে উনিশতম ওভারে। সেই ওভারে মাত্র পাঁচ রান দিয়ে কলকাতাকে অনেকটাই এগিয়ে দেন সৌরভ দুবে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য গুজরাটের প্রয়োজন ছিল ৪০ রান। ম্যাচ তখন প্রায় পুরোটাই কলকাতার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তরুণ বোলারের দুবের প্রশংসা করতে গিয়ে রাহানে বলেন, 'ঘরোয়া ক্রিকেটে ওর ধারাবাহিকতা সবাই জানে। এখানে আসার পর থেকেই কোচেরা বুঝেছিল, ছেলেটার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। কঠোর পরিশ্রমের ফল এখন মাঠে দেখা যাচ্ছে।'

আরো পড়ুন: