বৃষ্টির নাটক ছাপিয়ে গুজরাটের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

উইকেট নেয়ার পর ট্রেন্ট বোল্ট, আইপিএল
দ্বিতীয় দফায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে যখন বৃষ্টি হানা দেয় তখন বৃষ্টি আইনে ৫ রানে এগিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তখনও ২ ওভারের খেলা বাকি। ম্যাচ মাঠে না গড়ালে লাভ হতো মুম্বাইয়েরই। তবে এমন হয়নি। বৃষ্টির বাধার পর ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ১৯ ওভারে। শেষ ওভারে জিততে গুজরাটের প্রয়োজন ১১ রান।

promotional_ad

দীপক চাহারের প্রথম বলেই মিড অফ দিয়ে চার মেরে গুজরাটের সমীকরণ সহজ করে দেন রাহুল তেওয়াতিয়া। পরের বলে সিঙ্গেল নেন গুজরাটের এই ব্যাটার। পরের বলে লং অফ দিয়ে ছক্কা মারেন জেরাল্ড কোয়েতজি। চাহার পরের বলটি করেন নো। সেই বল থেকেও আসেন ১ রান। এরপর ফ্রি হিটে আরও এক।


আরো পড়ুন

আমি নির্বাচক হলে বুমরাহকে আইপিএল খেলতে দিতাম না: ভেংসরকার

১১ আগস্ট ২৫
ফাইল ছবি

পঞ্চম বলে কোয়েতজি ফিরে গেলে ১ বলে ১ রানের সমীকরণে পড়ে যায় গুজরাট। শেষ বলে আরশাদ খান মিড অফে ঠেকে এক রান নিয়ে গুজরাটকে জিতিয়েছেন। ৩ উইকেটের জয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বাইকে টপকে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে গুজরাট।


মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুজরাট শুরুতেই হারায় শাই সুদর্শনের উইকেট। যদিও শুরুর ধাক্কা বেশ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছেন অধিনায়ক শুভমান গিল ও জস বাটলার। দুজনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৭২ রানের জুটি। বাটলার ফিরেছেন ২৭ বলে ৩০ রান করে।


promotional_ad

এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড গিল মিলে আরেকটি ভালো জুটি গড়েন। ইনিংসের ১৪তম ওভার শেষে হানা দেয় বৃষ্টি। লম্বা সময় খেলা বন্ধ থাকার পর আবার খেলা শুরু হলে নাটকীয় ধস নামে। ১৫তম ওভারেই ফিরে যান ৪৬ বলে ৪৩ রান করা গিল। খানিক বাদে ফিরেছেন ১৫ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলা শেরফানে রাদারফোর্ড।


আরো পড়ুন

‘টি-টোয়েন্টিতে আমাকে আরো উন্নতি করতে হবে’, ৭৫৯ রানের পর সুদর্শন

৩১ মে ২৫
আসরে ৭৫৯ রান করেছেন সাই সুদর্শন, ফাইল ফটো

এরপর শাহরুখ খান ও রশিদ খানও আউট হয়েছেন দ্রুত। শাহরুখের ব্যাট থেকে আসে ৬ রান আর ২ রান করে ফেরেন রশিদ। ১৮তম ওভারে আবারও হানা দেয় বৃষ্টি। ডিএলএস ম্যাথডে ততক্ষণে ৫ রানে এগিয়ে মুম্বাই। যদিও প্রায় ঘণ্টা খানেকের অপেক্ষার পর আবারও শুরু হয় খেলা। বিরতির পর কোয়েতজির উইকেট হারালেও এই ব্যাটারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ বলে জয় নিশ্চিত করে গুজরাট।


এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাট। বল হাতে নিয়ে দলকে শুরুতে উইকেট নেন দেন মোহাম্মদ সিরাজ। এই পেসার শুরুতেই আউট করেন ২ রান করা রায়ান রিকেলটনকে। এরপর ইনিংস বড় করতে পারেননি দারুণ ছন্দে থাকা রোহিত শর্মা। দলটির সাবেক এই অধিনায়ক আউট হয়েছেন আরশাদ খানের বলে প্রসিধ কৃষ্ণাকে ক্যাচ দিয়ে।


দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের কিছুটা হাল ধরেন উইল জ্যাকস ও সূর্যকুমার যাদব। দুজনে মিলে গড়েন ৭১ রানের জুটি। দারুণ শুরুর পর সূর্যকুমার আউট হন শাই কিশোরের বলে লং অফে শাহরুখ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। জ্যাকস আউট হয়েছেন হাফ সেঞ্চুরির পরই। রশিদ খানের ঘূর্ণিতে লং অফে শাহরুখের হাতে ক্যাচ দেন এই ইংলিশ ব্যাটার।


এরপর দ্রুত আরও বেশ কিছু উইকেট হারায় মুম্বাই। তিলক ভার্মা ৭, হার্দিক পান্ডিয়া ১ ও নামান ধীর আউট হন ৭ রান করে। এর মধ্যে তিলককে আউট করেন জেরাল্ড কোয়েতজি। বাকি দুই উইকেট কিশোরের।


শেষদিকে নেমে করবিন বশ ২২ বলে ২৭ রান করে কোনো মতে মুম্বাইয়ের রান দেড়শ পার করেছেন। গুজরাটের বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট নেন কিশোর। আর একটি করে উইকেট পান সিরাজ, আরশাদ, কৃষ্ণা রশিদ ও কোয়েতজি।



আরো খবর

সম্পাদক এবং প্রকাশক: মোঃ কামাল হোসেন

বাংলাদেশের ক্রিকেট জগতে এক অপার আস্থার নাম ক্রিকফ্রেঞ্জি। সুদীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্রিকেট বিষয়ক সকল সংবাদ পরম দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকাশ করে আসছে ক্রিকফ্রেঞ্জি। প্রথমে শুধুমাত্র সংবাদ দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

মেইল: cricfrenzy@gmail.com
ফোন: +880 1305-271894
ঠিকানা: ২য় তলা , হাউজ ১৮, রোড-২
মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা
নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ
নিয়ম ও শর্তাবলী
নীতিমালা
© ২০১৪-২০২৪ ক্রিকফ্রেঞ্জি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
footer ball