অনেক কিছুই অজানা, তবুও বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজেলউড

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০১৭ সালের পর প্রথমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলবেন জশ হ্যাজেলউড। বাংলাদেশের টেস্ট দলে থাকা বেশিরভাগ ক্রিকেটারের বিপক্ষে সাদা পোশাকের ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা নেই ডানহাতি পেসারের। এমনকি যে মাঠে খেলা হবে সেখানেও টেস্ট খেলেননি হ্যাজেলউড। কন্ডিশন, উইকেট সম্পর্কেও খুব একটা ধারণা নেই তার। অনেক কিছু অজানা হওয়ার পরও বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজেলউড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এখনো পর্যন্ত ছয়টি টেস্ট খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। ২০০৩ সালে প্রথমবার ডারউইনে বাংলাদেশকে আতিথ্য দেয় স্বাগতিকরা। ২০০৫-০৬ মৌসুমে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন রিকি পন্টিং, গ্লেন ম্যাকগ্ররারা। সবশেষ দুই দেশ সাদা পোশাকের ম্যাচ খেলেছে ২০১৭ সালে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে হওয়া সিরিজে একটি করে ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া।

সেই সিরিজে খেলেছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক ও তাইজুল ইসলাম। বাকি ক্রিকেটারদের সঙ্গে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই হ্যাজেলউডের। তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস ও সৌম্য সরকারদের ব্যাটিং সম্পর্কে ধারণা নিতে ভিডিও ফুটেজের উপর ভরসা করতে হচ্ছে তাদের। বাংলাদেশ দলের মতো কন্ডিশন নিয়েও খুব একটা ধারণা নেই তার।

১৩ আগষ্ট মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। সেই ভেন্যুতে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায় উইকেট কেমন আচরণ করবে সেটা সম্পর্কে ধারণা নেই ডানহাতি পেসারের। কন্ডিশনই বা কেমন হবে সেটার সঙ্গেও পরিচিত নন হ্যাজেলউড। এত কিছু অজানা থাকলেও বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত তিনি। পাশাপাশি পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা করে নতুন স্বাদ নিতে চান অজি তারকা।

‘আনপ্লেয়েবল পডকাস্ট’কে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষের ধরনটা কেমন হবে। ফলে অনেক কিছুই অজানা, তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর। ভিডিও ফুটেজ তো অবশ্যই আছে, সেখান থেকে ব্যাটসম্যানদের খেলার ধরন বোঝা সম্ভব। তবে মাঠে নেমে তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজানোর প্রয়োজনও হতে পারে, যা সব সময়ই ব্যতিক্রমী ও নতুনত্বের স্বাদ দেয়।’

উইকেট, কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব বেশি ধারণা না থাকায় পরিকল্পনা সাজাতে খানিকটা বেগই পেতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। টি-টোয়েন্টিতে খুব বেশি সময় না পাওয়া গেলেও টেস্টে যথেষ্ট সময় থাকায় খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে বলে মনে করেন হ্যাজেলউড। খুব বেশি কিছু চিন্তা না করে পরিকল্পনাটা খুবই সাধারণ রাখতে চান তিনি।

হ্যাজেলউড বলেন, ‘(টেস্টে) পরিকল্পনাটা খুবই সাধারণ। আসল বিষয় হলো ঠিকঠাক বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেটা ধরে রাখা। খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতিতে খানিকটা পরিবর্তন আসতেই পারে, তবে মোটের ওপর এটি খুব সাধারণ একটি কৌশল। (টেস্টে) খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য বেশ সময় পাওয়া যায়। প্রথম স্পেলের অর্ধেক পার করে মনে হতে পারে, “অন্য কিছু চেষ্টা করা যাক।” কিন্তু টি-টুয়েন্টিতে এ সময়টা পাওয়া যায় না...সামান্য ভুল হলেই বল গিয়ে পড়ে সীমানার বাইরে।’

আরো পড়ুন: