জিম্বাবুয়ে সফরে এখনো বলার মতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ। পেসাররা প্রতিপক্ষকে আটকে দিতে পারলেও ব্যাটাররা সেটার প্রতিদান দিতে পারেননি। বরং প্রায় প্রতি ম্যাচেই ব্যাটারদের ব্যর্থতা বাংলাদেশকে ডুবিয়েছে। টেস্টের পর সিরিজ হারতে হয়েছে ওয়ানডেতেও। সিরিজের শেষ ম্যাচে জিম্বাবয়ে যখন দলের সেরা বোলারদের বিশ্রাম দিয়েছে তখন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ থেকে বাঁচিয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছিল, বাংলাদেশ হয়ত অবশেষে কন্ডিশন বুঝতে পেরেছে । তবে ওসব পাল্টে গেছে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই। আবারও ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য হারে সফরকারীরা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তানজিদ ও সাইফ হাসানের হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ইয়াসিরের ক্যামিও ইনিংসে বড় পুঁজিই পায়। বাকি কাজটা সারেন দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী। শেষ টি-টোয়েন্টিতেও একই অ্যাপ্রোচে খেলতে চায় বাংলাদেশ।
বিসিবি পাঠানো ভিডিও বার্তায় ইয়াসির বলেন, ‘ডেসপারেশন না, আমরা সবাই চেষ্টা করছিলাম যার যার জায়গা থেকে নিজের সেরাটা দেওয়ার। সবচেয়ে বড় কথা ওইটা মাথায় নিয়েই সবাই নেমেছিল যে আমরা বাংলাদেশের জন্য খেলব এবং বাংলাদেশকে জেতাব ইনশাআল্লাহ। আমার মনে হয় বেশিরভাগ ছেলেরই ওই জিনিসটা ছিল যে আমরা বাংলাদেশকে জেতাব।’
ডানহাতি ব্যাটার আরও যোগ করেন, ‘অ্যাপ্রোচ, আমরা গত ম্যাচে যেভাবে খেলেছি চেষ্টা করব সেভাবেই খেলার। ইতিবাচক অ্যাপ্রোচ সবসময় থাকবে। অবশ্যই, আমরা চেষ্টা করব দেশের জন্য, দেশকে একটা সিরিজ যেন আমরা জিতিয়ে দিতে পারি এখান থেকে। ইনশাআল্লাহ।’
প্রায় এক মাস ধরে জিম্বাবুয়ে সফরে আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ফরম্যাটে ভেদে কেউ আগে গেছেন আর কেউ জিম্বাবুয়ের বিমান ধরেছেন পরে। কন্ডিশন বুঝতে না পারা নিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিদ, মোহাম্মদ আশরাফুলরা কথা বলেছেন। সিরিজে সমতা থাকায় শেষ ম্যাচের আগে বিশেষ কোনো অনুশীরণ করেনি বাংলাদেশ। বরং জিম ও রিকোভারি সেশনেই প্রস্তুতি সেরেছে সফরকারীরা।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টির আগে অনুশীলন নিয়ে ইয়াসির বলেন, ‘যেহেতু আমরা অনেক দিন ধরে খেলছি, আজকে ওরকম তেমন কিছু ছিল না। আমাদের একটা জিম সেশন ছিল এবং একটা রিকোভারি সেশন হয়েছে। যেটা আগামীকালকের ম্যাচের জন্য হয়ত আমাদের আরেকটু ভালো করার জন্য উজ্জীবিত করবে।’