জবাবে খেলতে নেমে দারুণ শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান মিলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন। ৪২ রান করা কারানকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের পেসার খালেদ আহমেদ। এরপর অভিজ্ঞ ব্যাটার ব্র্যান্ডন টেইলরকে নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন কাইয়া। দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৬ রান। তারা বাংলাদেশের চেয়ে মাত্র ৪ রানে পিছিয়ে আছে। কাইয়া অপরাজিত আছেন ১০৮ বলে ৭৬ রান করে। আর ১৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন টেইলর।
এর আগে দিনের শুরুতে টসে জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। নতুন বলে শুরু থেকেই বাড়তি সুইং ও মুভমেন্ট কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের দুই ওপেনারকে দ্রুত ফেরায় স্বাগতিকরা। ২ রান করে মাহমুদুল হাসান জয় এবং ২০ রান করে আউট হন সাদমান ইসলাম। ৩৬ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে তৃতীয় উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
৮১ বলে ১২টি চারে ৬০ রান করেন মুমিনুল। ইনিংসটি খেলতে গিয়ে ক্যারিয়ারের ২৮তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তবে দলের ১১৩ রানে নিউম্যান নিয়ামহুরির বলে ক্রেইগ আরভিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। মুমিনুলের বিদায়ের পরই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার।
শেষ ৮ উইকেট হারায় মাত্র ২৭ রানে। ব্র্যাড ইভান্সের বলে উইকেটরক্ষক তাফাদজওয়া সিগার হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৯ রান করে ফেরেন শান্ত। এরপর রিচার্ড এনগারাভা ৯ রান করা মুশফিকুর রহিমকে বোল্ড করেন। অভিষিক্ত তৌহিদ হৃদয়ও ৩ রান করে এনগারাভার বলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ক্যাচ দেন।
আরেক অভিষিক্ত অমিত হাসান ৪ রান করে ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন। নিচের দিকের ব্যাটারদের দাঁড়াতেই দেননি নিয়ামহুরি। ৯ রান করা তাইজুল ইসলামকে ফেরানোর পর খালেদ আহমেদকে শূন্য রানে বোল্ড করে নিজের চার উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। ১২.২ ওভারে ৬১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। মুজারাবানি হাসান মাহমুদকেও শূন্য রানে ফিরিয়ে ১৯ রানে ২ উইকেট নেন। এনগারাভা ও ইভান্সও দুটি করে উইকেট শিকার করেন।