মুমিনুলের হাফ সেঞ্চুরি, একশর পথে বাংলাদেশ
৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে তোলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। তারা দুজনে মিলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দারুণ ব্যাটিংয়ে মুমিনুল হাফ সেঞ্চুরিও পেয়েছেন। নিউম্যান নিয়ামুরির অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করে চার মেরে ৬৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
জয়ের পর ফিরলেন সাদমানও
প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই দুই উদ্বোধনী ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয়ের পর সাজঘরের পথ ধরেছেন সাদমান ইসলামও। ব্র্যাড ইভান্সের অফ স্টাম্পের বাইরে করা বল খেলতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
ক্যাচটি লুফে নেন ক্রেইগ আরভিন। ৩৮ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ২০ রান করে ইনিংস শেষ করেন সাদমান। ৩৪ বল স্থায়ী জুটিতে আসে ৩০ রান। ১২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দুই উইকেটে ৩৬ রান। ক্রিজে আছেন মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
জয়ের বিদায়ের পর ছন্দের খোঁজে সাদমান-মুমিনুল
দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয়। তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্টি নিয়েই মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাকে।
বাঁহাতি পেসার নিউম্যান ন্যামহুরির করা বলে রক্ষণাত্মক শট খেলতে গিয়েছিলেন জয়। বল ব্যাট ও শরীরের খুব কাছ দিয়ে যাওয়ার পর উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে।
সেটি গ্লাভসে লেগেছিল নাকি শরীরের অন্য কোথাও, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। তবু জোরালো আবেদনের পর আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার।
এই সিরিজে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পাননি জয়। হতাশ মুখেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। ১৭ বল মোকাবিলা করে করেন মাত্র ২ রান।
এরপর সাদমান ইসলাম এবং মুমিনুল ইসলামের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান এক উইকেটে ৩১।
টেস্টে হৃদয়-অমিতের অভিষেক
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাত্র একজন স্পিনার নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। যেখানে সুযোগ পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম। পেসার হিসেবে হাসান মাহমুদের সঙ্গে আছেন খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেনের। এদিকে টেস্টে অভিষেক হয়েছে তাওহীদ হৃদয় ও অমিত হাসানের।
বাংলাদেশ— নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, অমিত হাসান, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেন।