চলতি বছরের আগষ্টে অস্ট্রেলিয়া সফর করবে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগষ্টে ডারউইনের মারারা ওভালে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় দ্বিতীয় টেস্ট ২২ আগষ্ট থেকে। ২০০৩ সালের পর এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক কিংবা নাজমুল হোসেন শান্ত—সবারই অস্ট্রেলিয়াতে প্রথম টেস্ট।
এমন সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতিটা অবশ্য শুরু হয়েছে কয়েক মাস আগে থেকেই। ঘরের মাঠে স্পিন নির্ভর উইকেট বানালেও অস্ট্রেলিয়া সফরের ভাবনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘাসের উইকেটে খেলছে বাংলাদেশ। তবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটু আগেই অস্ট্রেলিয়াতে যেতে চায় টাইগাররা।
এ প্রসঙ্গে বাশার বলেন, ‘ভালো হয় যদি আমরা একটু আগে যেতে পারি। তাহলে একটু কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে সুবিধা হয়। এছাড়া দেখুন, সব টেস্ট দলই কিন্তু ভালো। পাকিস্তানও খুব ভালো টেস্ট দল। র্যাঙ্কিংয়ের একদম নিচের দিকের টেস্ট দলগুলো ছাড়া যারা ছয়-সাতের মধ্যে আছে, তারা সবাই কিন্তু ভালো টেস্ট দল। সবার সাথে টেস্ট খেলাটাই কিন্তু একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’
আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও সবার উপরে প্যাট কামিন্সরা। বাংলাদেশ অবশ্য তাদের চেয়ে বেশ পিছিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার মতো কন্ডিশনে ভারত কিংবা ইংল্যান্ডের মতো দলগুলোকে নাকানিচুবানি খাওয়ান কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড, স্কট বোল্যান্ড, মিচেল স্টার্করা। সেটা নিয়ে অবশ্য ভয় পাচ্ছেন না বাশার। পাশাপাশি অজিদের সঙ্গে আলাদা কিছু করারও দেখছেন না তিনি।
বাশার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সম্ভবত এক নম্বরে আছে। তাদের সাথে তাদের মাটিতে খেলাটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জের। কিন্তু এমন না যে অস্ট্রেলিয়ার সাথে আমরা খেলিনি কিংবা এই বোলারদের আমরা মোকাবেলা করিনি কিংবা এই ধরনের দলের সাথে আমরা খেলিনি। আমাদের আলাদা কিছু করতে হবে না। আমাদের যেটা সেরা সেটা করলেই মনে হয় আমরা অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারব।’