বড় রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনো বিপদ ঘটতে দেননি সাব্বির হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন। বিনা উইকেটে ১৬ রানে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে আকবরের দল। ২৯৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামবে তারা। এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের একাডেমি গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাউথ জোনকে দারুণ সূচনা এনে দুই ওপেনার ইফতি এবং এনামুল হক বিজয়।
দুইজনের ৫৮ রানের উদ্বোধনি জুটি ভেঙে নর্থ জোনকে প্রথম উইকেট এনে দেন তাইজুল ইসলাম। ৫১ বলে ৩১ রান করে বোলার তাইজুলের কাছেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন বিজয়। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ফজলে রাব্বিকে নিয়ে দারুণভাবে এগিয়ে যেতে থাকেন ইফতি। দুইজন মিলে গড়েন ৫৯ রানের জুটি। দলীয় ১১৭ রানে আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রথম শিকার হয়ে রাব্বি ৩৪ রানে আউট হন।
রাব্বি আউট হবার পরপরই মামুনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে আউট হন ইফতি। উইকেটরক্ষক আকবর আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ১ রানের জন্য অর্ধ শতক মিস করেন ইফতি। দ্রুতই কালাম সিদ্দিকী ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়ে সাউথ জোন। এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মিথুন ও রিজান। শতরানের জুটি পূর্ণ করে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলকে।
দলীয় ২৩২ রানে মামুনের তৃতীয় শিকার হয়ে রিজান ফিরলে ভাঙে ১০৬ রানের জুটি। রিজানের ব্যাট থেকে আসে ৭৯ বলে ৪৭ রান। রিজান আউট হবার পরের ওভারে মিঠুন আউট হলে আবারও চাপে পড়ে সাউথ জোন। মেহেরব হোসেনের বলে আউট হবার আগে ৭৩ বলে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন অধিনায়ক মিঠুন।
লোয়ার অর্ডারে মইন খান বাদে আর কেউ লড়াই করতে না পারলে আর বড় হয়নি সাউথ জোনের ইনিংস। আট নম্বরে নেমে ৩৬ রান করে তাইজুলের বলে বোল্ড হন মইন। শেষ পর্যন্ত ৩১৪ রানে অলআউট হয় সাউথ জোন। নর্থ জোনের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন তাইজুল ও মামুন। এ ছাড়াও সানজামুল ইসলাম দুইটি ও মেহরব ও রবিউল ১ টি করে উইকেট নেন।