মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি অন্তর্বর্তীকালীন এডহক কমিটি গঠনের ব্যাপারেও আইসিসির কাছে জানানো হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে বিসিবির নতু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এডহক কমিটি নির্বাচিত কমিটির হাতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবে।
এ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এনএসসির পরিচালক আমিনুল এহসান বলেন, 'জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গঠিত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এই অবস্থানে উন্নীত হয়েছে যে বর্তমান বিসিবি কমিটি গঠনে বিসিবি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণের দূর্বলতা ছিল, অনিয়ম ছিল। সেই প্রেক্ষিতে এনএসসি ইতোমধ্যে বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির নিকট একটি ইমেইল পাঠিয়েছে। সেই ইমেইলে এই কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।'
এর আগে গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয় বিসিবির নির্বাচন। সেখানে পক্ষপাতের অভিযোগে দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোর প্রতিনিধিরা নির্বাচনের আগেই সরে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরই সেই নির্বাচনের তদন্তে নামে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তারা তদন্ত শুরু করে সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজির বিরুদ্ধে।
এর আগে রবিবার অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে কমিটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে। এর দুই দিনের মাথায় ক্রীড়া পরিষদ বুলবুলের বোর্ডকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে।
এর আগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছেও। তাদের মতামত জানার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকেও এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবার।