ব্যাট হাতে শেষটা নিশ্চিত করা ছাড়াও বল হাতে আয়ারল্যান্ডের দ্রুত ছুটে চলা ইনিংস থামান মেহেদী। এক ওভারে দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচের গতি বদলে দেন। প্রথম ওভারে ১৩ রান দিয়ে শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন তিন উইকেট।
ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস, তবে অনেকের চোখেই সেরা পারফরমার ছিলেন মেহেদী। অথচ প্রথম ম্যাচে তিনি ছিলেন একাদশের বাইরে। সম্প্রতি এটিই যেন তার জন্য নিয়মিত ঘটনা হয়ে যাচ্ছে, ফিরে এসে ভালো করা, তারপরও জায়গা হারানো।
এশিয়া কাপে ভালো করে চার ম্যাচে ছয় উইকেট নেওয়ার পরও সব ম্যাচ খেলতে পারেননি মেহেদী। একইভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচেও ছিলেন না দলে। শেষ ম্যাচে ভালো করার পরও এই সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন দর্শক হয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়ে আবারও দলকে জেতানোর মতো পারফরম্যান্স উপহার দেন।
এই অনিশ্চয়তাই মেহেদীকে ভাবায় সবচেয়ে বেশি, 'আসলে এই প্রশ্নটার উত্তর হয়তো প্রধান কোচ দিতে পারবে, আমাদের অধিনায়ক দিতে পারবে… আপনি যে চ্যানেলে চাকরি করেন, এক মাস এই চ্যানেলে এক মাস ওই চ্যানেলে চাকরি করলে অবশ্যই আপনার জন্য এটা কমফরটেবল না। একই ব্যাপার আমারও।'
দলে জায়গা পরিবর্তনের একটি কারণ দলীয় ভারসাম্য। বিশেষ করে রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদসহ স্পিনারদের সমন্বয়। তবে মেহেদীর ক্ষোভের আরও বড় অংশ ছিল যোগাযোগের অভাব নিয়ে। বাদ পড়ার ব্যাখ্যা সাধারণত খেলোয়াড়রা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে শুনে থাকেন।
কিন্তু বাংলাদেশ দলে তিনি সেটা পাচ্ছেন না, 'নাহ, আমার সঙ্গে আলোচনা করে না। তবে আমার কাজ হচ্ছে খেলা… বাংলাদেশ দলে খেলা একটা গর্বের বিষয়, সেটা আমি ১০ ম্যাচ পরে খেলি বা নিয়মিত খেলি, খেলতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ।'