ম্যাচের শেষ দিককার পরিস্থিতি পক্ষে থাকলেও হঠাৎ কিছু উইকেট পড়ে গিয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হয় দলের জন্য। লক্ষ্য তখন হাতের নাগালেই, কিন্তু উইকেটে গিয়ে সেই চাপ সামলে এগিয়ে নেন সাইফউদ্দিন। প্রথম বলেই বাউন্ডারি এনে তিনি দলের আত্মবিশ্বাস ফেরান।
১৪ বলে ২২ রানের প্রয়োজনের সময় সাইফউদ্দিনের বাউন্ডারি দিয়ে শুরু, এরপর ছক্কা–চার দলের অবস্থাকে জয়ের দিকে ঠেলে দেয়। ৭ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থেকে শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় রানটুকু রেখে যান তিনি। আর সেই ওভারের চতুর্থ বল বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন মেহেদী।
ম্যাচ শেষে মেহেদী বলেন, 'সাইফউদ্দিন অফ-অন থাকে। দলে নিয়মিত সুযোগ পায় না… আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিচের দিকের ব্যাটাররা অনেক দিন পরে পরে ব্যাটিং করতে পারে।'
'অনেক জায়গা থেকেই বলব, সাইফউদ্দিন যে ইনিংসটি খেলেছে, এটা আউটস্ট্যান্ডিং। ওই চাপের সময়ে ওই দুটি বাউন্ডারি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।'
এই দুজনই প্রথম ম্যাচে ছিলেন না। তবে ফিরে এসেই বল হাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মেহেদী। ইনিংসের শুরুতে কিছুটা চাপে পড়লেও পরে নিয়ন্ত্রণ ফেরান তিনি। পাওয়ার প্লে শেষে ফিরে এসে এক ওভারে দুটি উইকেট, পরের ওভারে আরও একটি, মোট তিনটি উইকেট নিয়ে ম্যাচের গতি বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসেন।
প্রথম ১০ ওভারে আয়ারল্যান্ড তোলে ৯৭ রান। পরের ১০ ওভারে তারা করতে পারে মাত্র ৭৩। মাঝের ওভারগুলোর সাফল্যের পেছনে নিজের পাশাপাশি সতীর্থদেরও কৃতিত্ব দেন মেহেদি।
মেহেদী বলেন, 'পাওয়ার প্লেতে দুটি ডানহাতি ব্যাটসম্যানের সামনে আমার জন্য তো একটু চ্যালেঞ্জিং… তবে যখন পাঁচটা ফিল্ডার বাইরে থাকে, তখন পরিকল্পনা করা সহজ হয়। আমি সেই জায়গাটাই কাজে লাগিয়েছি। মাঝের ওভারগুলোতে বল করাতে ওদের ২০–৩০ রান কম হয়েছে… সব কৃতিত্ব শুধু আমার নয়, সবাই ভালো বল করেছে।'