জানতাম একটা বাউন্ডারি হলেই জিতে যাব: মেহেদী

বাংলাদেশ- আয়ারল্যান্ড সিরিজ
জানতাম একটা বাউন্ডারি হলেই জিতে যাব: মেহেদী
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন শেখ মেহেদী, ফাইল ফটো
Author photo
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
· ১ মিনিট পড়া
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের শেষ দিকে আস্তে আস্তে জয়ের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে আয়ারল্যান্ড। লক্ষ্য ১৭০ রান তাড়ায় বেশির ভাগ সময় এগিয়েই ছিল বাংলাদেশই। কিন্তু মাঝপথে এসে ম্যাচে ঢুকে পড়ে অনিশ্চয়তার ছায়া। ব্যাট হাতে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময় সেই পরিস্থিতিকেই শান্তভাবে গ্রহণ করেন শেখ মেহেদী হাসান। তার ভাবনায় ছিল চাপ সরাতে সঠিক শটটাই যথেষ্ট হবে।

৩১ বলে ৩৩ রান প্রয়োজন ছিল যখন, বাংলাদেশের হাতে বাকি ছিল আট উইকেট। লিটন দাস তখন ৩৬ বলে ৫৭ রানে ব্যাটিং করছিলেন। মেহেদীর ব্যাটিং অর্ডার নিচে হওয়ায় তার ক্রিজে নামার সম্ভাবনা তখনও বাস্তব মনে হচ্ছিল না।

কিন্তু টি–টোয়েন্টিতে মুহূর্ত বদলে যেতে কতক্ষণ! লিটন আউট হন পঞ্চদশ ওভারের শেষ বলে। তাতে বড় কোনো বিপদ দেখা না দিলেও পরের ওভারে সাইফ হাসানের বিদায় ছবিটা বদলে দেয়। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহানের ধীর ব্যাটিং দলের অগ্রযাত্রায় খানিক জটিলতা তৈরি করে। শেষ ১৬ বলে আসে মাত্র ১১ রান।

এমন পরিস্থিতিতে ক্রিজে যান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তখন প্রয়োজন ১৪ বলে ২২ রান। প্রথম বলেই বাউন্ডারি ও পরের বলে দুই রান এনে চাপ কমান তিনি। কিন্তু সোহানের আউটের পর ১০ বলে ১৪ রান দরকার হলে মেহেদীকে নামতে হয় মাঝপথে।

ম্যাচ শেষে মেহেদী বলেন, 'এটা তো আসলে প্রত্যাশা করার ব্যাপার নয়। টি-টোয়েন্টি খেলায় যে কোনো সময় মোমেন্টাম বদলে যেতে পারে… এজন্য সবসময় প্রস্তুত থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে মনে হয়।'

'না না… চাপ নিয়ে কোন কথা হচ্ছিল না। যেহেতু বল টু বল খেললেই হতো, জানতাম আমরা একটা বাউন্ডারি হলেই জিতে যাব… নরমাল, একটা বাউন্ডারির খেলা ছিল।'

শেষ দিকে তাই ঘটেছে। তিন বলের মধ্যে সাইফউদ্দিন একটি ছক্কা ও একটি চার মেরে ম্যাচকে বাংলাদেশের দিকে টেনে আনেন। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩ রান। সেখান থেকে চতুর্থ বলে বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ শেষ করেন মেহেদী। এর আগে বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন এই অফ স্পিনারই।

আরো পড়ুন: শেখ মেহেদী