ফাইনালে ৪ রানে হেরে রানার্স আপ বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজ
পিসিবি
পিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের জন্য কাজটা কঠিনই ছিল। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল জিততে শেষ ১২ বলে মেয়েদের প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ১০ রান তুললেও ফারজানার উইকেট হারায় সফরকারীরা। তখনো জিততে হলে ৬ বলে ১৯ রান করতে হতো বাংলাদেশকে। প্রথম দুই বলে দুই রানের বেশি নিতে পারেননি সাদিয়া আক্তার ও আয়েশা।

তৃতীয় বলে ডাউন উইকেটে এসে লং অফের উপর দিয়ে ছক্কা মারেন সাদিয়া। খানিকটা আশা জাগলেও পঞ্চম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ফিরতে হয়েছে ২২ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে। তাতে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয় বাংলাদেশের মেয়েদের। শেষ বলে জান্নাতুল চার মারার পরও হারতে হয়েছে সফরকারীদের। বাংলাদেশকে ৪ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার মাইমুনা নাহারের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আরেক ওপেনার অচেনা জান্নাতও রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন। ৪ নম্বরে নামা শিরিনা খাতুনও ৬ রানে ফিরে গেলে ২১ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে জুনিয়র টাইগ্রেসরা। চতুর্থ উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন দেখান নিশিতা আক্তার ও অধিনায়ক সাদিয়া।

‎

‎সাদিয়া তুলে নেন অর্ধশতক। চামোদি প্রাবোদার বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরা আগে করেন ৩৬ বলে ৫ ছক্কা ও ৩ চারে ৫৯ রান। অন্যদিকে নিশি ৩৩ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। নিশি আউট হবার পর অধিনায়কে দারুণ সঙ্গ দেন সাদিয়া আক্তার। তার ২২ বলে ৩ ছক্কায় ৩৫ রানের ইনিংসে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ৪ রানে হেরে রানারআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় অনূর্ধ্ব-১৯ এর মেয়েদের।

‎

‎এর আগে ফাইনালে আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। পঞ্চম ওভারেই ৪৯ রান তোলেন দুই ওপেনার সঞ্জনা কাভিন্দি ও ভিমোস্কা বালাসুরিয়া। উইকেটরক্ষক ব্যাটার কাভিন্দি তুলে নেন অর্ধশতক। নিশির বলে আউট হবার আগে ৪৪ বলে ২ ছক্কা ও ৭ চারে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। বালাসুরিয়া করেন ২৩ রান। তাকে ফেরান জান্নাতুল ফেরদৌস।

‎

‎দুই ওপেনার আউট হবার পর নেথমি উপেস্কা ও উমায়ানঙ্গা পেইরিসের ২২ ও ২৮ রাজের ইনিংসে ১৫৮ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে ফারজানা ইয়াসমিন, নিশি, জান্নাতুল ও আফরিন মিম সকলে একটি করে উইকেট নেন।

আরো পড়ুন: