সব ধরনের ক্রিকেট ছাড়লেন রাভাল

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০২১ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালজয়ী দলের সদস্য ছিলেন জিত রাভাল। তবে ২০২০ সাল থেকে জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না বাঁহাতি ওপেনার। যদিও নিয়মিতই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছিলেন তিনি। সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে ১৮ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন রাভাল।

গত সেপ্টেম্বরে ৩৮ বছরে পা দিয়েছেন রাভাল। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অকল্যান্ডের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট অভিষেক হয় তার। একটা সময় ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখেছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। যদিও ছোটবেলায় গুজরাট থেকে অকল্যান্ডে চলে আসেন তিনি।

আহমেদাবাদে যখন বিদ্যানগর স্কুলের হয়ে খেলতেন তখন রাভালের ওপেনিং পার্টনার ছিলেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার পার্থিব প্যাটেল। অকল্যান্ডে মিডল অর্ডার হিসেবে শুরু করলেও পরে খেলেছেন ওপেনার হিসেবে। নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম সফল ওপেনার ব্যাটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

২৯২ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ম্যাচের ২৮৫ ইনিংসে ওপেন করেছেন রাভাল। ২৩ সেঞ্চুরিতে ৩৭.৩৬ গড়ে করেছেন ১০ হাজার ১২৭ রান। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নর্দার্ন ডিস্ট্রিকসকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় নিউজিল্যান্ডের ৩০তম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেছেন।

প্লাঙ্কেট শিল্ডে ৮ হাজার ৬৬২ রান করেছেন বাঁহাতি ওপেনার। নিউজিল্যান্ডের চারদিনের ঘরোয়া টুর্নামেন্টের ইতিহাসে রাভালের চেয়ে বেশি রান আছে মাইকেল প্যাপস (১১ হাজার ৪৬৩), ম্যাথু সিনক্লেয়ার ( ৮ হাজার ৮৪২) এবং পিটার ফুলটনের (৮ হাজার ৭১৯)। ২০১৬ সালে ক্রাইস্টচার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় রাভালের।

সাদা পোশাকের ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি পেতে বাঁহাতি ব্যাটারের লেগেছে ২৮ ইনিংস। এ ছাড়া ৭টি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শেষের দিকে এসে কোচিংয়েও যোগ দিয়েছিলেন রাভাল। সামোয়ার প্রধান কোচ তারুন নেথুলার সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ক্রিকেটের বাইরে একটি অডিট ফার্মে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন রাভাল। সেটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন তিনি।