যদিও পরবর্তীতে সেখান থেকে বাদ পড়েছেন মোট ৯ ক্রিকেটার। এই তালিকায় আছেন জাতীয় দলে খেলা ৪ জন। তারা হলেন, জাতীয় দলে নিয়মিত আসা-যাওয়ার পথে থাকা এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সানজামুল ইসলাম ও শফিউল ইসলাম। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে বিজয়কে নিয়েই।
তিনি সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সিরিজে বাংলাদেশ দলের হয়ে টেস্টে খেলেছিলেন। তবে এই সিরিজের পরই দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। বিজয় ব্যস্ত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট লিগে। বরাবরের মতো তিনি খেলছিলেন খুলনা বিভাগের হয়ে। এর মাঝেই নিলাম থেকে বাদ পড়ার দুঃসংবাদ পেলেন তিনি।
তিনি মনে করেন ফিক্সিংয়ের প্রমাণ দিতে পারবে না বিসিবি। তিনি যে অসম্মানিত হচ্ছেন এর ব্যাখ্যা কে দেবে? ক্রিকফ্রেঞ্জিকে তিনি বলেন, 'এটা যদি প্রমাণ না করতে পারে তাহলে এই যে অসম্মানিত হচ্ছে এটার ব্যাখ্যা কে দেবে? তাহলে আপনারা বিসিবিকে প্রশ্ন করেন আপনাদের যদি প্রমাণ থাকে তাহলে অবশ্যই তারা (ক্রিকেটার) জানতে চায়। প্রমাণ দেখান আপনি সামনে।'
বিপিএলের গত আসরে বিজয় খেলেছিলেন দুর্বার রাজশাহীর হয়ে। ক্রিকেটারদের প্রারশ্রমিক না দেয়া ও হোটেল ভাড়া না দেয়ার কারণে এই দলটি গত আসরে আলোচনার তুঙ্গে ছিল। দলটির ক্রিকেটারদের এরপর দেনা পাওনা পরিশোধের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছিল বিসিবি। এই দলটির হয়ে অধিনায়কত্বও করেছিলেন বিজয়।
আরেকটি বিপিএলের আগে নিলাম থেকে বাদ পড়ায় ক্ষোভ ঝেড়ে বিজয় বলেছেন, 'আপনি ধাপ করে বাদ দিয়ে দেবেন নিলাম থেকে, এটা হতে পারে? ক্যাটাগরি ‘বি’ থেকে ‘সি’তে নামিয়ে দিয়েছেন এটাই তো অসম্মানের। এখন আবার বিপিএলের নিলাম থেকেই বাদ দিয়ে দিছেন।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'আমি যদি দোষী হই আপনি অবশ্যই আমাকে বাদ দেবেন। এখন বোঝা যাচ্ছে আমি দোষী। আমাকে প্রমাণ দেখান। আর যদি প্রমাণ না দেখাতে পারেন যে অসম্মানিত করছেন এটার ব্যাখ্যা কে দেবে, এটার বিচার কে করবে?'