বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) • সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম
নোয়াখালীর বিপক্ষে টসে জিতল চট্টগ্রাম
বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নামছে নবাগত নোয়খালী এক্সপ্রেস। এই ম্যাচের টস অনুষ্ঠিত হয়েছে এরই মধ্যে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের একাদশে ২ বিদেশি
চট্টগ্রাম রয়্যালস-
নাইম শেখ, মাহমুদুল হাসান জয়, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, তানভির ইসলাম, শেখ মেহেদী (অধিনায়ক), আবু হায়দার রনি, শরিফুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, মাসুদ গুরবাজ, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, মির্জা তাহির বেগ
নোয়াখালীর একাদশ
নোয়াখালী এক্সপ্রেস (একাদশ)-
সৈকত আলী (অধিনায়ক), মাজ সাদাকাত, হাবিবুর রহমান সোহান, সাব্বির হোসেন, হায়দার আলী, জাকের আলী অনিক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জহির খান, ইহসানউল্লাহ, হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান রানা।
১১ রানেই শেষ নাইম
নোয়াখালীর বিপক্ষে দেখেশুনে শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। কোটি টাকার ওপেনার নাইম শেখ এদিন ভালো করতে পারেননি। তিনি ১১ বলে ১১ রান করে আউট হয়ে গেছেন। তাকে আউট করেছেন মেহেদী হাসান রানা। সাব্বির হোসেনকে ওয়াইড লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন চট্টগ্রামের এই ওপেনার। নাইম উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিলেন। তবে বল ব্যাটের কানায় লেগে টপ এজ হয়।
৮ ওভারে ২ উইকেটে হারিয়ে ৬৪ চট্টগ্রামের
পাওয়ার প্লেতে নোয়াখালীর বোলারদের মোকাবেলা করতে রীতিমতো হাঁসফাঁস করেছে চট্টগ্রাম। তারা পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৪৪ রানের বেশি করতে পারেনি। মির্জা তাহির বেগ উইকেটে টিকে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অন্যদিকে মাহফিজুল ইসলাম রবিন ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মাজ সাদাকাতের বলে বোল্ড হয়েছেন এই ব্যাটার। ফলে ৮ ওভারে ২ উইকেটে ৬৪ রান তুলেছে চট্টগ্রাম।
বেগের হাফ সেঞ্চুরি, চট্টগ্রামের একশ
ধীরে ধীরে হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছেন মির্জা তাহির বেগ। ১৩তম ওভারে মেহেদী হাসান রানাকে পুল করে ছক্কা মেরে ৪৯ বলে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছান বেগ। সেই সঙ্গে চট্টগ্রামের সংগ্রহও একশ পাড় হয়ে যায়। বাকি ৭ ওভারে রান তুলতে পারলে নিশ্চিতভাবেই বড় সংগ্রহের পথে চট্টগ্রাম।
ফিরলেন মেহেদী, বড় সংগ্রহের পথে চট্টগ্রাম
চার নম্বরে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি ১২ বলে ১৭ রান করেই আউট হয়ে গেছেন। তাকে ফিরিয়েছেন জহির খান। এই পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে রানার হাতে ক্যাচ দেন জয়। ফলে দলটি তৃতীয় উইকেট হারায়। এরপর শেখ মেহেদী এসে দারুণ সঙ্গ দেন বেগকে। দুজনে মিলে গড়েন ৩৯ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙেন সাব্বির হোসেন। তার বলে লং দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সাদাকাতের হাতে ক্যাচ দেন ১৩ বলে ২৬ রান করা মেহেদী।
বেগের ৮০, চট্টগ্রামের সংগ্রহ ১৭৪
সাব্বির এক বলের বিরতিতে আউট করেছেন আবু হায়দার রনিকেও। যদিও এই ব্যাটার উইকেটে এসেই পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে পরের বলেই তাকে কাভারে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন সাব্বির। সহজ ক্যাচ নিতে ভুল করেননি চট্টগ্রামের অধিনায়ক সৈকত আলী। শেষ পর্যন্ত তারা ৬ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে। মির্জা তাহির বেগ ইনিংসের শেষ বলে ব্যক্তিগত ৮০ রানে হাসান মাহমুদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন।
নোয়াখালীর লক্ষ্য ১৭৫
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি দুই ওপেনার মির্জা তাহির বেগ ও নাইম শেখ। এই দুজনের ওপেনিং জুটি ভাঙে ২৯ রানে। নাইম এদিন ১১ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান রানা।
এরপর দ্বিতীয় উইকেটে মাহফিজুল ইসলাম রবিনকে নিয়ে চট্টগ্রামের ইনিংস টানেন বেগ। তবে রবিনও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। রবিন ১৬ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে ৩৫ রানে। একপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা যাওয়া থাকলেও অন্যপ্রান্তে অবিচল ছিলেন বেগ।
তিনি তৃতীয় উইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে যোগ করেন ৫৮ রানে। চট্টগ্রামের ইনিংসে এর চেয়ে বড় জুটি আর আসেনি। জয় ফিরেছেন ১৭ রান করে। এরপর অধিনায়ক শেখ মেহেদীকে নিয়ে আরও ৩৯ রান যোগ করেন বেগ। মেহেদী ভালো শুরু পেলেও ২৬ রানের বেশি করতে পারেননি।
শেষদিকে আবু হায়দার ৪ রান করে ফেরেন। জিয়াউর রহমান ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। বেগ ইনিংসের শেষ বলে এলবিডব্লিউ হন ৬৯ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলে। নোয়াখালীর হয়ে দুটি উইকেট নেন সাব্বির হোসেন। একটি করে উইকেট পান হাসান মাহমুদ, রানা, জহির খান ও মাজ সাদাকাত।
সোহানকে ফিরিয়ে শরিফুলের শেষ হাসি
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো করেন সাদাকাত ও হাবিবুর রহমান সোহান। প্রথম দুই ওভারে কোন উইকেট না হারিযে ১৯ রান তোলেন দুজন। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই শরিফুল ইসলামকে চার মারেন সোহান। যদিও এক বল পরই তাকে ফিরিয়েছেন শরিফুল। বাঁহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে খেলতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ৭ বলে ১৫ রান করা সোহান।
বোলিংয়ে এসেই সাব্বিরকে ফেরালেন মেহেদী
আগের ওভারেই হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। চতুর্থ ওভারে ফেরেন সাব্বির হোসেনও। মেহেদীর বলে স্লগ সুইপ করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে টপ এজ হয়ে ফাইন লেগে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন সাব্বির। পরের ওভারে সৈকত আলীর উইকেট নেন তানভির ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক।
পাওয়ার প্লেতে চট্টগ্রামের দাপট
তৃতীয় ওভারে সোহান এবং চতুর্থ ওভারে ফেরেন সাব্বির হোসেন। মেহেদীর বলে স্লগ সুইপ করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে টপ এজ হয়ে ফাইন লেগে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন সাব্বির। পরের ওভারে সৈকত আলীর উইকেট নেন তানভির ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক। তিন উইকেট হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ৪২ রান তোলে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
ব্যর্থ জাকের, মেহেদীর আরেকটি উইকেট
চতুর্থ ওভারেই শেখ মেহেদীর বলে ফিরতে পারতেন জাকের আলী। লং অফে ক্যাচ দিলে মিড অফ থেকে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে কঠিন সুযোগটা নিতে পারেননি আবু হায়দার রনি। তবে অষ্টম ওভারে জাকেরকে ফিরিয়েছেন মেহেদী। ডানহাতি অফ স্পিনারের বলে বড় শট খেলার চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেট ক্যাচ দিয়েছেন ১২ বলে ৬ রান করে।
সাদাকাতকে হাফ সেঞ্চুরি করতে দিলেন না আবু হায়দার
দ্রুতই চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে নোয়াখালী। দ্রুত রান তুলতে পারছিলেন না সাদাকাত-হায়দারও। তবে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও তানভিরের করা দুই ওভারে কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে জড়তা কাটানোর চেষ্টা করেন তারা দুজন। আক্রমণাত্বক হয়ে উঠার চেষ্টায় ২৮ বলে ৩৮ রান করে আউট হয়েছেন সাদাকাত। আবু হায়দার রনির বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলার চেষ্টায় তানভিরের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
৭ উইকেট নেই নোয়াখালীর
আবু হায়দার রনির বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলার চেষ্টায় তানভিরের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন মাজ সাদাকাত। পরের ওভারে তানভিরকে টানা দুই বলে দুই ছক্কা মারেন হায়দার। পরের বলেও ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন। তবে বাঁহাতি স্পিনারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ২৪ বলে ২৮ রান করে। পরের বলে আউট হয়েছেন হাসান মাহমুদ।
নোয়াখালীকে হারিয়ে জয়ে শুরু চট্টগ্রামের
টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাটিং করতে না পারলেও ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৬৯ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছিলেন মির্জা তাহির বেগ। ম্যাচ জিততে বাকি কাজটা সেরেছেন চট্টগ্রামের বোলাররা। ব্যাটিংয়ে দুইশ স্ট্রাইক রেটে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলা শেখ মেহেদী বোলিংয়ে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। খানিকটা খরুচে হলেও তিনটি উইকেট নিয়েছেন তানভির ইসলাম। তাদের এমন বোলিংয়ের সঙ্গে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সহজ পেয়েছে চট্টগ্রাম। ৬৫ রানে হেরে বিপিএল শুরু নোয়াখালীর।
ম্যাচ
- সিরিজ
- বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)
- ভেন্যু
- সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম
-
বিসিবি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
বিসিবি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি -
ক্রিকফ্রেঞ্জি