আর্থিক ক্ষতির মুখে তামিম-সাকিবরা

ছবি:

বেশ বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান-তামিম ইকবালরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) স্পন্সর টেলিকম কোম্পানি রবি ছাড়া অন্য কোন টেলিকম কোম্পানির বিজ্ঞাপন করতে পারবেন না জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
বিষয়টি ইতিমধ্যে জাতীয় দলে থাকা সব ক্রিকেটারকে জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি। সাকিব-তামিমদের সবাইকে তাই এখন অন্যান্য কোম্পানির সাথে চুক্তি বাতিল করতে হবে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন এমনটাই।
নতুন এই নিয়মে ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও জানা গিয়েছে দু পক্ষের আলোচনাতেই টিম স্পন্সরের শর্ত মেনে নিয়েছে বিসিবি। যমুনা টেলিভিশনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন,

'আন্তর্জাতিক যেকোনো টুর্নামেন্ট বা চুক্তিতেই সাধারণত একই ধরনের দুটি প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয় না। আইসিসি মেনে চলে এই রীতি। এ নিয়মের কারণে ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও দু’পক্ষের আলোচনাতেই টিম স্পন্সরের শর্ত মেনে চলতে আগ্রহী বিসিবি। তাই তো বিসিবিও টিম স্পন্সরের শর্ত মেনে বিষয়টি জানিয়েছে ক্রিকেটারদের।'
২০১৭ সালের জুনে প্রায় ৬০ কোটি টাকায় বিসিবির টিম স্পন্সর স্বত্ব কিনে নেয় মোবাইল কোম্পানি রবি। স্পরসর সত্ত্ব ক্রয়ের সময় তাদের শর্তই ছিলো রবির বিজ্ঞাপনের বাইরে অন্য কোনো টেলিকম কোম্পানির বিজ্ঞাপন বা প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার হওয়ার কারণে সাকিব-তামিমরা প্রতি বছর ৪৮ লক্ষ টাকা বেতন পান বোর্ড থেকে। আর চার বছরের চুক্তিতে মোবাইল কোম্পানি বাংলালিংক থেকে সাকিবের পাওয়ার কথা মোট ৪ কোটি টাকা।
সাকিবের পাশাপাশি তামিম-মাশরাফিরা গ্রামীণফোন থেকে আয় করেন কোটি টাকার কাছাকাছি। আর রবির শর্ত মেনে নিলে বেশ বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে তাদের। অবশ্য তাদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছে বিসিবি।