সাম্প্রতিক সময়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে পিসিবি। জুনে মুলতানে ৩১ ক্রিকেটারকে নিয়ে আট সপ্তাহের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছিল। সেই ক্যাম্প থেকেই ইংল্যান্ড সফরের দল গড়া হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতকে হারিয়ে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপও জিতেছিল।
ইংল্যান্ড সফরের পারফরম্যান্সও ছিল দুর্দান্ত। চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তান ৩-১ ব্যবধানে জয় পায়। শেষ ম্যাচে ২০০ রানের বড় জয় দিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে তারা। এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে ১৭৭ রানের জয়ে বড় অবদান রাখেন উসমান খান ও অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ। দুজনই সেঞ্চুরি করেন, আর মোহাম্মদ সাইয়াম নেন চার উইকেট।
দলের এই পারফরম্যান্সের পর পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন এবং তাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। এ সময় তরুণদের আরও পরিশ্রম করে নিজেদের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চুক্তির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ পথটাও আরও গোছানো করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রকাশিত বক্তব্যে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ শহীদ আনোয়ার বলেন, ‘ভালো পারফরম্যান্সের পুরস্কার তরুণ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। পিসিবি চেয়ারম্যানের এই উৎসাহ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ দুই পক্ষের জন্যই শক্তির উৎস।’
অধিনায়ক ফারহান ইউসুফও মুলতানের উন্নয়ন ক্যাম্পের সুফল পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। গত দুই বছরে সেখানে হওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাম্পগুলো খেলোয়াড়দের উন্নতিতে কাজে এসেছে বলে মনে করেন তিনি। প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় চুক্তি পাওয়াকে খেলোয়াড়দের জন্য আনন্দের বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেছেন ফারহান। আলিয়ান সালমানের মতে, এই চুক্তি তরুণদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়াবে এবং ক্রিকেটে আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করবে।