ক্রিকেটের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে আসিফের শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ মেস্টেরোলোনের একটি মেটাবোলাইট পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেয়া ডোপ পরীক্ষায় তার শরীরে ওই পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। আইসিসির অ্যান্টি-ডোপিং কোডের ২.১ ধারা লঙ্ঘনের কথা স্বীকার করেছেন আসিফ।
ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) ও আইসিসির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ মেনে নিয়েছেন। ফলে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকছে না সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ক্রিকেটারের। আসিফের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে।
১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আগামী ৭ ডিসেম্বর। তবে এর আগেই অনুশীলনে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে যে কোনো দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারবেন আসিফ। একই সঙ্গে কোনো ক্লাব বা আইসিসির সদস্যসংস্থার সুযোগ-সুবিধাও ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে অপেক্ষা করতে হবে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আইসিসি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার আওতায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত আসিফের ব্যক্তিগত সব পারফরম্যান্স বাতিল করা হয়েছে। ফলে ওই সময়ের ম্যাচগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত পদক, পয়েন্ট, প্রাইজমানি ও পুরস্কারও হারাতে হচ্ছে তাকে। এর প্রভাব পড়বে ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে তার পারফরম্যান্সের ওপর।
এশিয়া কাপে ভারত, ওমান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা আসিফের তিন ম্যাচের পারফরম্যান্স তার ক্যারিয়ার রেকর্ড থেকে বাদ দেয়া হবে। কারণ, ওই ম্যাচগুলো ৮ সেপ্টেম্বরের পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে সিনিয়র দলে খেললেও আসিফের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলে।