১০৪ রানের লক্ষ্য ১৩.৩ ওভারেই পেরিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ে। ছোটো লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই জিম্বাবুয়ে তোলে ৩০ রান। যদিও ১ বলে ব্যবধানে ফেরেন ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি (২১) ও ডিওন মেয়ার্স। যদিও এরপর দলের হাল ধরেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও অভিজ্ঞ ব্র্যান্ডন টেইলর।
যদিও ৩০ বলে ৩১ রান করে রিটায়র্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টেইলরকে। তবে ফিরে যাওয়ার আগে বেনেটের সঙ্গে তার ৬৮ রানের জুটিই ম্যাচের সুর বেধে দেয়। শেষ পর্যন্ত বেনেট ৩৬ বলে ৪৮ ও সিকান্দার রাজা ৫ রান করে অপরাজিত থেকে জিম্বাবুয়েকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন সুফিয়ান মেহমোদ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ওমান। রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্সের গতিময় বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারায় তারা। প্রথম পাঁচ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেননি। দ্রুতই ভেঙে পড়ে দলটির ব্যাটিং অর্ডার।
দলের বিপর্যয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন সুফিয়ান ও ভিনায়েক শুক্লা। শুক্লা ২১ বলে করেন ২৮ রান। সুফিয়ান খেলেন ৩৯ বল, তার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। তবে এই জুটি ভাঙতেই আবারও ধস নামে। ৯৬ রানে নবম উইকেট পড়ার পর নাদিম খানের ব্যাটে শতরানের ঘর পার করে ওমান।
যদিও ইনিংস বেশিদূর এগোয়নি। ১ বল আগেই গুটিয়ে যায় দলটি। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিন পেসারই ছিলেন সমান কার্যকর। রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্স প্রত্যেকে শিকার করেন তিনটি করে উইকেট, আর তাতেই ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে পড়ে।