৩৪ বছর পর পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজ হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ছবি: পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজ হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ফাইল ফটো

ব্যাট হাতে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন অধিনায়ক শাই হোপ। তিনি ৯৪ বলে দশটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় অপরাজিত ১২০ রান করে ম্যাচসেরা হন। তার সঙ্গে সপ্তম উইকেটে জাস্টিন গ্রেভস মাত্র ৫০ বলে ১১০ রানের জুটি গড়েন। শেষ সাত ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১০০ রান।
‘বাবর-রিজওয়ানরা বিজ্ঞাপনই করুক, ওরা কোচদের কথা শোনে না’
১৪ আগস্ট ২৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের শুরুটা ছিল ধীরগতির। প্রথম ৩০ ওভারে তাদের রান ছিল মাত্র ১১০। তবে শেষ দিকে রান বাড়ান হোপ ও গ্রেভস। ২৪ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন গ্রেভস। রানের গতি তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রস্টন চেইজও (২৯ বলে ৩৬)।
শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫০ ওভারে ছয় উইকেটে ২৯৪ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস থামে মাত্র ৯২ রানে। ৩১.৩ ওভারে অলআউট হয় তারা। আট ব্যাটার যেতে পারেননি দুই অঙ্কে, এর মধ্যে পাঁচ জন আউট হন শূন্য রানে।

‘বাবরকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলে হারিসকে বেত দিয়ে পেটানো উচিত’
২৭ আগস্ট ২৫
দারুণ বোলিং করেন জেইডেন সিলস। তিনি ১৮ রানে ছয় উইকেট নেন। ওয়ানডেতে এটি তার প্রথম পাঁচ উইকেটের প্রাপ্তি। সিলসের বোলিং শুরু থেকেই ছিল বিধ্বংসী। তার প্রথম স্পেলেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে যায়। ওয়ানডেতে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।
পাকিস্তানের ইনিংসে সালমান আলী আঘা করেন সর্বোচ্চ ৩০ রান। বাবর আজম ব্যর্থ হন, ফেরেন মাত্র ৯ রানে। রান তাড়ায় একপর্যায়ে তাদের স্কোর দাঁড়ায় সাত রানে চার উইকেট। একমাত্র ৩৮ রানের একটি জুটি আসে সালমান ও হাসান নাওয়াজের ব্যাটে।
ম্যাচের শেষ হয় আবরার আহমেদের রান নেয়ার চেষ্টায় রস্টন চেইজের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউটের মাধ্যমে। টিভি রিপ্লেতে নিশ্চিত হয় আউট, আর ক্যারিবিয়ানরা শুরু করে উদযাপন। তিন দশকের অপেক্ষা শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের আনন্দ উপভোগ করে দলটি।
এই সিরিজ জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য এসেছে কঠিন সময়ের মধ্যে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা আট ম্যাচ হার, পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার ও প্রথম ওয়ানডে হারের পর তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।