আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তোলে লাহোর। দলের হয়ে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও বাংলাদেশের পারভেজ হোসেন ইমন খেলেন ৫ বলে ৯ রানের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস। শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে শামীম হোসেন রান না করেই অপরাজিত থাকেন।
১৬তম ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেন ইমন। প্রথম বল থেকে এক রান নেওয়ার পর ফ্যাবিয়ান অ্যালেনের করা পরের ওভারের প্রথম বলে ব্যাট ছোঁয়াতে না পারলেও বল উইকেটরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে সীমানার বাইরে চলে যায়। পরের বলেই নিজের জোনে পেয়ে স্লগ সুইপে ৮৫ মিটারের ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটার।
এরপর দুই রান নেওয়ার পর আরেকটি বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ইমন। তার ৫ বলে ৯ রানের ইনিংসে ছিল একটি ছক্কা। তৃতীয় উইকেটে শায়ান জাহাঙ্গিরের সঙ্গে মাত্র ৭ বলে ২০ রানের জুটি গড়েন তিনি। শেষ ওভারে ব্যাট করতে নামেন শামীম। পিটার সিডলের তৃতীয় বলে রিভার্স শট খেলতে গিয়ে ব্যাটে বল লাগাতে পারেননি।
লেগ বাই থেকে এক রান এলেও পরে আর স্ট্রাইক পাননি তিনি। ফলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের দুই ব্যাটার ব্যর্থ হলেও লাহোরের হয়ে শামিল হোসাইন ৩৬ বলে ২৬ ও শায়ান জাহাঙ্গীর ৫০ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। আর তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় লাহোর।
১৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে সান ফ্রান্সিস্কো। ওপেনিং জুটিতে ৪৫ রান যোগ করেন টিম রবিন্স ও কনর এস্টারহুইজেন। রবিন্স ১৫ বলে ২১ রান করে ফিরলেও এস্টারহুইজেন ১৮ বলে ২৯ রান করেন। এরপর অলিভার পিক ১৫ বলে ২৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেন হাসান খান ও হাম্মাদ আজম।
দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সান ফ্রান্সিস্কো। হাসান ৩৩ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ২টি চার। হাম্মাদ ১১ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন, মারেন একটি ছক্কা ও দুটি চার। লাহোরের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শাদাব খান, মিচেল ব্রেসওয়েল ও শামীম হোসেন। শামীম এক ওভারে ১৩ রান দিয়ে অলিভার পিকের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তুলে নেন।