২০২৫ সালের মেগা নিলামে রেকর্ড ২৭ কোটি রুপিতে পান্তকে দলে ভেড়ায় লক্ষ্ণৌ। এরপরই তাকে অধিনায়ক করা হয়। তবে তার নেতৃত্বে গত দুই মৌসুমে দল যথাক্রমে সপ্তম ও দশম স্থানে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করে। ব্যক্তিগতভাবেও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি এই তারকা ক্রিকেটার।
দুই মৌসুমে ২৬ ইনিংসে পান্ত করেন ৫৮১ রান। তার গড় ছিল ২৬.৪১ এবং স্ট্রাইক রেট ১৩৫.৭৪। এই সময়ে তিনি একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেন। দলীয় ফলাফল এবং ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স- দু'দিক থেকেই সময়টা খুব একটা সুখকর ছিল না তার জন্যে।
প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার দু'দিন আগে লক্ষ্ণৌ এক বিবৃতিতে বলে, 'ঋষভ আমাদের কাছে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল এবং আমরা সেটি সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করেছি। এমন সিদ্ধান্ত কখনোই সহজ নয়। অধিনায়ক হিসেবে সে যে অবদান রেখেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এখন আমাদের লক্ষ্য দলকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।'
তবে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, পান্ত স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়েননি। বরং মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই তাকে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেয় লক্ষ্ণৌ কর্তৃপক্ষ। এরপরই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পান্তকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার তাড়াহুড়ো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে পান্তও অন্য দলে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী ছিল। কারণ সে আর নিজেকে যথাযথ মূল্যায়িত মনে করছিল না।'
এর আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, পান্ত আবার দিল্লির দলে ফিরতে পারেন। সেখানে কয়েকটি মৌসুম কাটিয়েছেন তিনি। সেই সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে কুলদীপ যাদবকে লক্ষ্ণৌতে পাঠানো হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।