আগের ম্যাচগুলোতে ৪ নম্বরে খেললেও এদিন লাহোরের হয়ে ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। ইমন ও নাইম মিলে ৩.২ ওভারেই দলীয় পঞ্চাশ তুলে নেন। যদিও শুরুতে বেশিরভাগ রানই আসে নাইমের ব্যাট থেকে। শুরুতে সাবধানী ব্যাটিং করলেও চতুর্থ ওভারে ইমন চড়াও হন মোহাম্মদ নাওয়াজের ওপর। দুটি ছক্কার সঙ্গে মারেন একটি চার। সেই ওভার থেকে ইমন তোলেন ১৯।
পরের ওভারে ফয়সাল আকরামকে টানা তিন ছক্কা মারেন ইমন। যদিও পরের ওভারেই ইমন আউট হন মোহাম্মদ ইসমাইলের বিকে নাওয়াজকে ক্যাচ দিয়ে। লাহোর ৮৬ রানে হারায় তাদের প্রথম উইকেট। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন ইমন। তবে ব্যাটে বলে করতে পারেননি। ফলে ১৯ বলে তার ৪৫ রানের ইনিংস শেষ হয় সেখানেই।
ওপেনার নাইম অবশ্য হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি ফেরেন ২৮ বলে ৬০ রান করে। ইনিংস জুড়ে নাইম মারেন ৪টি করে চার ও ছক্কা। আব্দুল্লাহ শফিক আউট হয়েছেন ১৪ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে। দুজনকেই আউট করেছেন মোহাম্মদ ইসমাইল। শেষদিকে পিটার সিডল বোল্ড করে ফেরান রুবিন হারমানকে। শেষদিকে আসিফ আলী ব্যক্তিগত ৮ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন। তবে সিকান্দার রাজা ও শাহীন আফ্রিদি মিলে লাহোরের সংগ্রহ ১৮৫ রানে নিয়ে যান।
এরপর বল হাতেও শুরু থেকেই মুলতানের রানের চাকা আটকে রাখেন আফ্রিদি-উবাইদ শাহরা। স্টিভেন স্মিথকে বোল্ড করে লাহোরকে প্রথম উইকেট এনে দেন আফ্রিদি। পরের ওভারে জশ ফিলিপকে আফ্রিদির ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন উবাইদ। মুস্তাফিজ ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে প্রথম ওভার করতে এসেই আউট করেন ২৪ রান করা শাহিবজাদা ফারহানকে। জায়গায় দাঁড়িয়ে ক্যাচ নেন শফিক।
প্রথম ওভারে মুস্তাফিজ দেন মাত্র ৬ রান। দ্বিতীয় ওভারে এসে মুস্তাফিজ তোপের মুখে পড়েন শান মাসুদের। বাঁহাতি এই পেসারকে টানা দুই চার মারেন মাসুদ। সেই ওভারে মুস্তাফিজ খরচ করেন ১৩ রান। তৃতীয় ওভারে এসে ১৮ বলে ৪৪ রান করা মাসুদকে এলবিডব্লিউ করে আউট করেন মুস্তাফিজ। যদিও বাঁহাতি এই পেসার সেই ওভারে দেন ১৯ রান। শেষদিকে মুলতানকে জেতাতে ঝড়ো ব্যাটিং করেন অ্যাস্টন টার্নার ও আরাফত মিনহাস। তবে সেটাও যথেষ্ট ছিল না দলটির জেতার জন্য।