বল হাতে ৫ উইকেটের পর ব্যাটিংয়ে হার্দিকের ক্যামিও, তবুও হারল মুম্বাই

ছবি: ৩৬ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন হার্দিক, ফাইল ফটো

২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭ রানের মধ্যে দুই বিদেশি ওপেনারকে হারায় মুম্বাই। সাত বলে পাঁচ রান করে উইল জ্যাকস বিদায় নেন আকাশ দিপের বলে। তার গুড লেংথের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন জ্যাকস। পাঁচ বলে ১০ রান করা রায়ান রিকেলটনকে তুলে নেন শার্দুল ঠাকুর।
এপ্রিলের মাঝামাঝিতে ফিরছেন বুমরাহ
৭ ঘন্টা আগে
তারপর ৬৯ রানের জুটি গড়েন নামান ধীর এবং সূর্যকুমার যাদব। ২৪ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৪৬ রান করে দিগবেশ রাঠির বলে বোল্ড বোন নামান। দলের রান দেড়শ পার করে ফিরে যান সূর্যকুমার। আভেষ খানের বলে স্কুপ করতে গিয়ে আব্দুল সামাদের তালুবন্দি হন তিনি। ফেরার আগে ৪৩ বলে নয়টি চার ও একটি ছক্কায় ৬৭ রান করেন সূর্যকুমার।
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নামা তিলক ভার্মা এ দিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। ২৩ বলে ২৫ রান করে রিটায়ার্ড আউট হন তিনি। শেষ ওভারে ছয় বলে ২২ রান লাগত, যদিও আভেষের প্রথম বলে ছক্কা মারলেও আর কিছুই করতে পারেননি হার্দিক। সেই ওভারে কেবল ৯ রান যোগ হয় তার নামের পাশে।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মিচেল মার্শ এবং এইডেন মার্করামের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ২০৪ রানের বিশাল লক্ষ্য দেয় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। অটল বিহারী বাজপেয়ী স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী জুটিতেই ঝড় তোলে লক্ষ্ণৌ।
ঘরের মাঠে উইকেট মন্থর করে নিজেরাই বিপদে পড়ল লক্ষ্ণৌ
২ এপ্রিল ২৫
সাত ওভারে তারা করে ৭৬ রান। এর মধ্যে ৩১ বলে ৬০ রানই আসে মিচেল মার্শের ব্যাটে। ৯টি বাউন্ডারির সঙ্গে ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। বাঁহাতি স্পিনার ভিগনেশ পুথুরের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি।
আসরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নিকোলাস পুরান এ দিন বেশি কিছু করতে পারেননি। ছয় বলে ১২ রান করা এই ব্যাটারকে স্লোয়ার বাউন্সারে পরাস্ত করেন হার্দিক। তাকে পুল করতে গিয়ে দীপক চাহারের মুঠোয় ধরা পড়েন পুরান।
দলীয় একশ পার হওয়ার পর হার্দিকের দ্বিতীয় শিকার হয়ে বিদায় নেন ঋষভ পান্ত। ২৭ কোটির পান্ত এ দিনও ব্যর্থ। ব্যাট হাতে করেন ছয় বলে দুই রান। তারপর আইয়ুশ বাদোনির ১৯ বলে ৩০ রানের ইনিংসে গতি পায় লক্ষ্ণৌ।
তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে থাকেন ওপেন করতে নামা এইডেন মার্করামও। তার ব্যাটে আসে ৩৮ বলে দুটি চার ও চারটি ছক্কায় ৫৩ রান। শেষদিকে ১৪ বলে ২৭ রান করেন ডেভিড মিলার। বাদোনি ও মিলারের ঝড়েই ২০০ পার করে লক্ষ্ণৌ। মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ৩৬ রান খরচায় নেন পাঁচ উইকেট।