বরুণের সঙ্গে আরো জুটি গড়তে চান মঈন

ছবি: রাজস্থানের বিপক্ষে দুই উইকেট নেন মঈন আলী, ফাইল ফটো

ম্যাচে ১৭ রান খরচায় দুই উইকেট নেন বরুণ। আর ২৩ রান খরচায় দুই উইকেট নেন মঈন। ৯ উইকেটে ১৫১ রানে থামে রাজস্থান। জবাবে কুইন্টন ডি ককের অপরাজিত ৯৭ রানের সৌজন্যে ১৫ বল হাতে রেখে জয় পায় কলকাতা।
ব্রুকের শাস্তি বাড়াবাড়ি নয়, ধারণা মঈন আলীর
১৭ মার্চ ২৫
ম্যাচ শেষে মঈন বলেন, 'আমার কাজ ছিল শুধু ওদের চাপে রেখে দেওয়া। তাতেই ওরা সমস্যায় পড়ত। তখন বরুণের উইকেট নিতে সুবিধা হত। আমি এমন এক জনের সঙ্গে বল করেছি যে আমার থেকে অনেক দারুণ বোলার। রহস্যময় বোলার। আমার কাজ ছিল ওকে সাহায্য করা। যাতে ও উইকেট পায় সেই কাজটা করে যাওয়া। সেটাই করার চেষ্টা করেছি। ভাগ্যক্রমে আমিও উইকেট পেয়েছি।'
'বরুণ দুর্দান্ত বোলার। গত দু’-তিন বছরে ও দারুণ উন্নতি করেছে। ওর মতো একজনের সঙ্গে বল করার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আশা করছি আগামী দিনেও আমরা একসঙ্গে খেলব।'

ম্যাচে ইয়াশভি জায়সওয়াল ও নিতীশ রানাকে আউট করেছেন মঈন। ২৪ বলে ২৯ রান করা জায়সাওয়ালের উইকেট বড় হলেও ৯ বলে আট রান করা নিতীশকে আউট করে বেশি খুশি মইন।
নিরাপত্তাজনিত কারণে পেছালো কলকাতা-লক্ষ্ণৌ ম্যাচ
২৯ মার্চ ২৫
তিনি আরও বলেন, 'আমি শুধু চেষ্টা করছিলাম বল ঘোরাতে। আমি জানতাম ওরা চাপে আছে। তাই ঝুঁকি নিয়ে শট খেলার চেষ্টা করবে। ভাল জায়গায় বল রাখার চেষ্টা করছিলাম। তাতেই সফল হয়েছি।'
গুয়াহাটির উইকেট আইপিএলের বাকি ভেন্যুগুলোর মতো নয়। সেখানে ২০০ রান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। ১৭০-১৮০ রান করেও জেতা যায় অবলীলায়। মঈন অবশ্য ব্যাট হাতে বাজে দিন পার করেছেন। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২ বলে পাঁচ রান করেন তিনি।
ম্যাচ শেষে মঈন বলেন, 'ভারতের মাটিতে ব্যাট করতে ভালোই লাগে। কিন্তু এই ধরনের উইকেটে ৩০০ রান হবে না। এমনকি ২০০ রানও হবে না। বড় বড় রানের মাঝে এই রকম দু’-একটা ম্যাচ ভালো লাগে। এই ধরনের ম্যাচে লড়াই থাকে। বোলারেরাও কিছুটা সুবিধা পায়। এই পিচে আমার খেলতে দারুণ লেগেছে।'