পিকেএসপির দুই নম্বর মাঠে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মোহামেডানের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেন বোলারেরা। প্রথম ওভারেই সাইফ হাসানের উইকেট হারায় বসুন্ধরা। ইয়াসির আলী রাব্বির মুঠোবন্দী হয়ে বিদায় নেন তিনি।
এরপর টানা দুটি মেডেন ওভারে আরও চাপে পড়ে দলটি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে দলীয় এক রানেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় বসুন্ধরা। লেংথ ডেলিভারির পর ইমরানউজ্জামানকে কট এন্ড বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা।
২৫ বলে ১৯ রান করা আলআমিনকে ফেরান সাইফউদ্দিন। ২৪ বলে সাত রান করা ফজলে মাহমুদ রাব্বিকে বোল্ড করেন রিশাদ। আর ১৪ রান করা আমিনুল ইসলাম বিপ্লব উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে মৃত্যুঞ্জয়ের বলে ফিরে যান।
শহিদুল ইসলামও সুবিধা করতে পারেননি। রিশাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান তিনি। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে ৪১ বলে ২৯ রান করে তিনি ফিরলে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২৩.৫ ওভারে মাত্র ৮০ রানেই গুটিয়ে যায় বসুন্ধরার ইনিংস। মৃত্যুঞ্জয়ের ছয় উইকেট ছাড়াও সাইফউদ্দিন ও রিশাদ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
আগের ম্যাচেও পাঁচ উইকেট নেওয়া মৃত্যুঞ্জয় টানা দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ বোলিং করলেন। এ দিন শেষের চারটি উইকেটই যায় তার দখলে। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নিতে হয়নি মোহামেডানকে।
উদ্বোধনী জুটিতেই ৮.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা। এনামুল হক বিজয় ২৮ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা। অন্যপ্রান্তে নাইম শেখ ২১ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।