ইকবালের ৫ উইকেটের পর ইফতেখারের ফিফটিতে জিতল ইমার্জিং

বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের সাউথ আফ্রিকা সফর
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। সাউথ আফ্রিকা সফরের তিন দলের ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচে ইউনিভার্সিটি স্পোর্ট সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে ২৬ রানের জয় পেয়েছে জাকির হাসানের দল। প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের কাছে ৮৯ রানে গুটিয়ে গিয়ে সাত উইকেটের হার দেখেছিল বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে শুরু হওয়া ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নামে ইউনিভার্সিটি স্পোর্ট সাউথ আফ্রিকা। উদ্বোধনী জুটিতে লুডউইচ শুল্ড ও জেসন মুয়ারহেড ১৩৫ বলে ১৪৮ রান যোগ করে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। তবে এই জুটি ভাঙার পর দ্রুত ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা।

২২তম ওভারে ৭২ রান করা শুল্ডকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন রোহানাত উদ দৌলা বর্ষণ। এরপর ৭৯ রান করা মুয়ারহেডকেও বিদায় করেন ইকবাল হোসেন। উদ্বোধনী জুটির পর আর কোনো জুটি ত্রিশ রানও স্পর্শ করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তিন ওভার বাকি থাকতে ২৪৮ রানে থামে ইউনিভার্সিটি স্পোর্ট সাউথ আফ্রিকার ইনিংস।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ইকবাল হোসেন। ১০ ওভারে ৪৩ রান খরচায় পাঁচ উইকেট শিকার করেন ১৯ বছর বয়সী এই গতিতারকা। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষের বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।

২৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। অধিনায়ক জাকির হাসান ১২ রান করে বিদায় নেন। এরপর তিন নম্বরে নামা শাহাদাত হোসেন ১৮ রান করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা। পরে মাহফিজুল ইসলামও ৩৪ রান করে সাজঘরে ফিরলে ৮০ রানেই তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেই কঠিন অবস্থায় দলের হাল ধরেন ইফতেখার হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। দুজন মিলে ধীরে ধীরে চাপ সামলে এগিয়ে নিতে থাকেন দলকে। প্রতিপক্ষের বোলারদের বিপক্ষে ঝুঁকি না নিয়ে প্রয়োজনমতো রান তুলেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে আনেন তারা।

ইফতেখার খেলেন ৮৬ বলে অপরাজিত ৭১ রানের দারুণ একটি ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। অন্য প্রান্তে মাহিদুল অপরাজিত থাকেন ৬৮ বলে ৩৮ রানে। চতুর্থ উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন ১০৬ রানের জুটি বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

বাংলাদেশ ৩৬ ওভারে তিন উইকেটে ১৮৬ রান করার পর আলোকস্বল্পতার কারণে আর খেলা চালানো সম্ভব হয়নি। তখন ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে ২৬ রানে এগিয়ে ছিল সফরকারীরা। ফলে ইফতেখারের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও ইকবালের পাঁচ উইকেটের সুবাদে প্রতিযোগিতায় প্রথম জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।

আরো পড়ুন: