টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়া বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট এনে দেন বর্ষণ। ডানহাতি এই পেসারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়েছেন মুইরহেড। তবে দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়েন টিগার ও শ্যূড। তারা দুজনে যোগ করেছেন ১১৯ রান। মইন খানের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৪৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন টিগার। শ্যুড পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৫৫ বলে।
বাঁহাতি ব্যাটারকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ইকবাল হোসেন ইমন। ডানহাতি পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগ ক্যাচ দিয়েছেন ৫১ রানের ইনিংস খেলা শ্যুড। পরের ওভারে আউট হয়েছেন টিগারও। বাঁহাতি স্পিনার সামিউন বশির রাতুলের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন তিনি। ৭২ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন টিগার। এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটিং অর্ডার।
রিজওয়ানের পেস তোপে শ্যুড ও টিগার ফেরার পর বাকিদের কেউই দাঁড়াতে পারেননি। সর্বোচ্চ ১০ রান এসেছে সলোমন্সের ব্যাট থেকে। শেষের ব্যাটিং ধসে মাত্র ১৬৬ রানে অল আউট হয় যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ শেষ ৪০ রানে ৯ উইকেট হারায় তারা। বাংলাদেশ ইমার্জিংয়ের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন রিজওয়ান। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন বর্ষন ও বিপ্লব।