আগের র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ক্যারিবিয়ানদের পয়েন্টের পার্থক্য ছিল মাত্র ছয়। ২০২৭ বিশ্বকাপ সামনে রেখে র্যাঙ্কিংয়ের এই হালনাগাদ দুই দলের জন্যই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করতে সেরা নয় দলে থাকতে হবে দুই দলকেই।
২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটে থাকা দলগুলো সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। আয়োজক হওয়ায় সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে। সাউথ আফ্রিকা সেরা আটে অবস্থান করায় নবম স্থানে থাকা দলটির জন্যও সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ফলে নবম স্থানটিও হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হালনাগাদের পরও ওয়ানডে দলীয় র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত। ১১৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তালিকার এক নম্বরে থাকা ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে মাত্র পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে। কিউইদের সংগ্রহ ১১৩ পয়েন্ট। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার রেটিং পয়েন্ট ১০৯।
ফলে শীর্ষ তিনে নিজেদের অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে তারা। যদিও ভারতের রেটিং এক পয়েন্ট কমেছে, তবুও শীর্ষস্থান হাতছাড়া হয়নি তাদের। আইসিসির বার্ষিক র্যাঙ্কিং হালনাগাদে ২০২৫ এর মে মাস থেকে খেলা ম্যাচগুলোকে ১০০ শতাংশ এবং আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোর ফলাফলকে ৫০ শতাংশ ধরে পয়েন্ট হিসাব করা হয়েছে।
এদিকে ১০২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ চারে উঠে এসেছে সাউথ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা পেছনে ফেলেছে পাকিস্তানকে, যাদের বর্তমান রেটিং ৯৮ পয়েন্ট। শীর্ষ দশেও আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, তাদের রেটিং পয়েন্ট ৯৬। সপ্তম স্থানে থাকা আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৯৩ পয়েন্ট, আর অষ্টম স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮৯।
এদিকে ৫৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ১১তম স্থানে উঠে এসেছে আয়ারল্যান্ড। তারা পেছনে ফেলেছে জিম্বাবুয়েকে, যাদের সংগ্রহ ৫৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৩তম স্থানে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, যারা ৪৪ পয়েন্ট পাওয়া স্কটল্যান্ডকে টপকে গেছে। এ ছাড়া ১৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উন্নতি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতও। কানাডাকে ছাড়িয়ে তারা এখন উঠে এসেছে ১৯তম স্থানে।