সিরিজটি বর্তমানে ১-১ সমতায় রয়েছে। বামহাতি ব্যাটার শামীম হোসেন এই ফরম্যাটে বাংলাদেশকে ৪৬ ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার অভিজ্ঞতা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শামীমের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের দলীয় ব্যাটিং ও স্কোয়াডে আরও গভীরতা এসেছে। নির্বাচকরা আশা করছেন, তার উপস্থিতি দলের শেষ মুহূর্তের চাপ সামলাতে সাহায্য করবে এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে তরুণদের সমন্বয় আরও দৃঢ় করবে।
সিরিজের শুরুতে অবশ্য শামীমকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন বিসিবির নির্বাচকরা। স্কোয়াডে শামীমের নাম না দেখে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লিটন দাস। দল নির্বাচনের আগে তার মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পরবর্তীতে নিজের অবস্থানের ব্যাখা দেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুও। তার দাবি, শামীমকে বাদ দেয়ার বিষয়টি লিটনের সঙ্গে আগেই আলোচনা করেছিলেন তিনি। যদিও অসমাপ্ত ছিল সেই আলোচনা, যার কারণে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশের স্কোয়াড: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শামীম হোসেন।