এশিয়া কাপ নয়, সিমন্সের ভাবনায় শুধুই নেদারল্যান্ডস সিরিজ

ছবি: ক্রিকফ্রেঞ্জি

তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে আগষ্টে বাংলাদেশ সফরে আসার কথাা ছিল ভারতের। তবে সরকারের সবুজ সংকেত না পাওয়া বাংলাদেশে আসেনি তারা। শুভমান গিল-জসপ্রিত বুমরাহরা না আসায় লম্বা একটা বিরতি পায় বাংলাদেশ। সেটা কাজে লাগাতেই ফিটনেস ও স্কিল ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে এশিয়া কাপের মতো টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়ার আগে শুধু ক্যাম্প যথেষ্ট হবে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন ছিল সবসময়।
শামীমকে নিয়ে ধোঁয়াশা
২ ঘন্টা আগে
ক্রিকেটারদেরও চাওয়া ছিল, সুযোগ হলে একটা সিরিজ খেলে তারপর এশিয়া কাপের জন্য সংযুক্ত আরবে যাবেন। লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে আলাপের পর নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সিরিজ চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ। ৩০ আগষ্ট থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পরের দুই ম্যাচও হবে সিলেটে, ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর।
স্বাভাবিকভাবেই ডাচদের বিপক্ষে এশিয়া কাপের পুরো প্রস্তুতি নিতে চাইবে বাংলাদেশ। একদিন আগে লিটন জানিয়েছেন, সুযোগ থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করবেন তারা। সিমন্স অবশ্য এখনই এশিয়া কাপ নিয়ে ভাবতে চান না। তিনি বরং এশিয়া কাপকে পেছনে রেখে নেদারল্যান্ডস সিরিজে নিজেদের মনোযোগ রাখতে চান। ডাচদের বিপক্ষে সিরিজকে অবশ্য ফাইনালের আগে ড্রেস রিহার্সেল হিসেবেও দেখছেন তিনি।

নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটারদের বিপিএলে দেখতে চান কুক
৩৯ মিনিট আগে
এ প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘ফাইনালে যেতে হলে সেটার আগে আপনাকে প্রাথমিক ধাপগুলো পার করতে হবে। আমি এশিয়া কাপ নিয়ে ভাবছি না, এশিয়া কাপ আসবে এই সিরিজের পরে। এখন আন্তর্জাতিক একটি দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক একটি সিরিজ খেলছি আমরা। এখন এই সিরিজ নিয়েই ভাবছি।’
এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হংকং, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সুপার ফোরে উঠতে পারলে খেলতে হতে পারে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষেও। তাদের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে যাওয়ার আগে নেদারল্যান্ডস সিরিজ আদর্শ প্রস্তুতি হবে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। সিমন্স অবশ্য এসব পরোয়া না করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলাকেই আদর্শ হিসেবে দেখছেন।
পাশাপাশি প্রতিপক্ষের দিকে না তাকিয়ে বাংলাদেশ কেমন ক্রিকেট খেলছে প্রধান কোচের কাছে সেটাই প্রাধান্য পাচ্ছে। সিমন্স বলেন, ‘আমি জানি না আপনি আদর্শ পরিস্থিতি বলতে কী বুঝাচ্ছেন। আমার কাছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা মানেই আদর্শ পরিস্থিতি। কারণ প্রতি ক্ষেত্রেই আপনাকে স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করতে হবে। সিরিজ জিততে হলে আমাদের ভালো খেলতে হবে।’
‘সিরিজ জেতার জন্য শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে খেললেও আমাদের একটা ভালো স্ট্যান্ডার্ডে খেলতে হবে। ফলে আমাদের জন্য ব্যাপারটা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কায় যা করেছি তা চালিয়ে যাওয়া এবং আরও উন্নতি করা। কাদের সাথে খেলছি তা ব্যাপার নয়, আমরা কীভাবে খেলছি এবং উন্নতি করছি সেটাই আমার কাছে জরুরি ব্যাপার।’