চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। নিজেদের গ্রুপে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে নাইজেরিয়া ও আরব আমিরাতের বিপক্ষেও ভালো করে সুপার সিক্সে জায়গা করে নেওয়াই থাকবে স্বাগতিকদের লক্ষ্য।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনেই চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি মাঠে নামবে আরও ছয়টি দল। পরদিন নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে সহ-আয়োজক নেপাল, তাদের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতও প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে চারটি ভেন্যুতে। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে খেলা। নেপালের কাঠমান্ডুতে ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত হয়েছে টিইউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ড।
গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলো খেলবে সুপার সিক্স পর্বে। সেখানে দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে দুটি সেমিফাইনাল। ৫ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। ফাইনালের জন্যও ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার এবারের আসরে ১৬টি দলের অংশগ্রহণ নারী ক্রিকেটের নতুন প্রতিভাদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ করে দেবে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তের মতে, অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তরুণ ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তার বিশ্বাস, বাংলাদেশ ও নেপালে আয়োজিত এই আসর নারী ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান প্রতিভা তুলে ধরবে এবং উদীয়মান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর খেলোয়াড়দের বিকাশে ভূমিকা রাখবে।