সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারছেন না শামীম। মাঝে বাঁহাতি ব্যাটারের ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস। পরবর্তীতে স্কোয়াড থেকে যখন বাদ পড়েছিলেন তখন শামীমের পক্ষে ব্যাট ধরেছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। তবে পুরোপুরি আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি।
কয়েকটি ক্যামিও ইনিংস খেললেও সেটার ধারাবাহিকতা নেই। গত জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ছিলেন না শামীম। জাতীয় দলে ফিরতে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের হয়ে খেলছেন তিনি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খুব বেশি সুযোগ হয়ে উঠেনি। সেই একই দলের হয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। সেখানেই ভালো খেলে জাতীয় দলে ফেরার পথ সুগম করতে চান।
এ প্রসঙ্গে শামীম বলেন, ‘অবশ্যই ব্যক্তিগত লক্ষ্য আছে। যেহেতু আমি জাতীয় দলের বাইরে, তাই লক্ষ্য থাকবে ভালো পারফর্ম করে আবার দলে ফিরে আসা। আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য হলো ভালো খেলা এবং দলকে জেতানো। মূলত এটাই আমার লক্ষ্য।’
টি-টোয়েন্টি দলে ফিনিশারের ভূমিকায় খেলে থাকেন। এইচপি দলের হয়েও একই ভূমিকায় খেলতে দেখা যাবে তাকে। শামীম মনে করেন, ছয় নম্বরে নেমে দলকে জিতিয়ে আসাই তার প্রধান কাজ। তিনি বলেন, ‘আমার ভূমিকা হলো ফিনিশিং দেওয়া। ছয় নম্বরে খেলি, তাই আমার কাজ, ম্যাচ শেষ করে আসা। দলকে জেতানোই আমার প্রধান কাজ। তাই, সেখানে ভালো করা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছেন শামীম। ২০২৪ সালে আকবর আলীর নেতৃত্বে ৮ ইনিংসে ১১৬ স্ট্রাইক রেটে করেছিলেন ১৮৬ রান। আগেও খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় কন্ডিশন সম্পর্কে ভালোই ধারণা আছে বাঁহাতি ব্যাটারের। এবারের সফরে সেটা কাজে লাগিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরতে চান।
শামীম বলেন, ‘আমি এর আগেও সেখানে খেলেছি। ওখানকার উইকেট অনেক ভালো। আশা করছি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। সেখানে গিয়ে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। লক্ষ্য, অবশ্যই ভালো কিছু করা এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দেখা যাক, কী হয়।’