ওয়াহ ভাইদের পর মার্শ ভাইরা

ছবি:

অ্যাশেজ সিরিজের শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত এক জুটি গড়েছেন দুই ভাই শন মার্শ ও মিচেল মার্শ। ২০০১ সালের পর শনিবার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দেখলো ভাই জুটির সেঞ্চুরি পার্টনারশিপের রেকর্ড।
ইংল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক পুতে দেওয়ার পথে মার্শ ভাইরা পঞ্চম উইকেটে ১০৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ২০০১ সালে মার্ক ওয়াহ ও স্টিভ ওয়াহদের ব্যাটে সবশেষ ভাইদের সেঞ্চুরি জুটি দেখেছিল।
স্টিভ আর মার্ক ছিলেন যমজ। মিনিটের হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ক্যাপ্টেন স্টিভ ছিলেন বড়। ২০০১ সালে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেটি ছিল অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টের প্রথম ইনিংস।

দুই ভাই সেবার সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন। স্টিভ ও মার্ক চতুর্থ উইকেটে গড়েছিলেন ১৯৭ রানের জুটি। স্টিভ খুবই সাহসী ১৫৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেছিলেন। মার্ক ১২০ রানের টিপিক্যাল ইনিংস খেলে আউট হয়েছিলেন। এবার মার্শ ভাইদের ব্যাটে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সেই ইতিহাস উঠে এল আবার।
বড় ভাই শনের বয়স ৩৪ বছর। আর মিচেলের ২৬ বছর। দুই ভাই মিলে এগিয়ে যাচ্ছেন স্টিভ-মার্ক ভাইদের মতো সেঞ্চুরি গড়ার দিকে। আর দুই রান করলেই সেঞ্চুরি হয়ে যাবে শনের। যা হবে এবারের অ্যাশেজে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
আগ্রাসী ব্যাটিং করে যাওয়া মিচেলের সাথে অবশ্য সেঞ্চুরির দুরত্ব একটু বেশি। তবে তিনিও পেতে পারেন চলতি সিরিজে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এদিকে, সিডনিতে ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান।
২০৭ বলে ৯৮ রানে অপরাজিত বড় ভাই শন মার্শ। ছোট ভাই মিচেল মার্শ ৮৭ বলে ৬৩ রান নিয়ে নামবেন চতুর্থ দিনে। তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার লিড দাঁড়িয়েছে ১৩৩ রানে। চতুর্থ দিন মার্শ ভাইদের ব্যাটেই তাকিয়ে অস্ট্রেলিয়া