অল্পের জন্য জেতা হলনা টাইগার যুবাদের

ছবি:

সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওটাগো এ ৫০ ওভারে ২৭৮/৩ ( হকিন্স ১৩৭*, ভিসাভাদিয়া ১১২*)
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ৪৯.১ ওভারে ২৫৪ ( সাইফ ৫৪ ডাফি ৪/৭০)
ফলাফল- ওটাগো 'এ' ২৪ রানে জয়ী
যুব বিশ্বকাপের মূল আসর শুরু হতে বাকি এখনও ৮দিন। মূল আসর শুরুর আগে অংশগ্রহনকারী দলগুলো প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে নিজেদের ঝালাই করে নিচ্ছে। তবে এই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের ঠিক ভাবে মেলে ধরতে পারছেন টাইগার যুবারা।
নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বুধবার ওটাগোর কাছে ছয় উইকেটে হেরে যুব বিশ্বকাপের মিশন শুরু করেছিল সাইফরা। ঠিক পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আবারো একই দলের কাছে হেরে গিয়েছে বাংলাদেশ দল।

এদিন ওটাগোর বিপক্ষে ভালো খেলেও হারতে হয়েছে সাইফদের। দলের অধিনায়ক সাইফ হাসান টানা দ্বিতীয় ফিফটি হাঁকালেও এদিন ২৪ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে মিনি টাইগারদের।
ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন টাইগার দলপতি সাইফ হাসান। সাইফের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। স্কোরবোর্ডে ৯ রান যোগ করতেই দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন টাইগার বোলার মাহমুদ হাসান।
৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসা ওটাগো রক্ষা পায় হকিন্স এবং তাসমান জোন্সের ব্যাটে। দুজন মিলে ৫১ রান যোগ করলেও অধিনায়ক তাসমান জোন্স ফেরেন নায়েম হাসানের শিকার হয়ে। ১৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
৬০ রানে ৩ উইকেট হারালেও পরবর্তীতে টাইগার বোলারদের দাঁড়াতেই দেননি দুই ব্যাটসম্যান হকিন্স এবং ভিসাভাদিয়া। দুজন মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে গড়েন ২১৮ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে দুজনের সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ২৭৮ রান স্কোরবোর্ডে তোলে ওটাগো।
হকিন্স ১৩৭ এবং ভিসাভাদিয়া অপরাজিত থাকেন ১১২ রানে। যুবাদের পক্ষে মাহমুদ হাসান ৩৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ২৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই পিনাক ঘোষের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
পরবর্তীতে নাইম শেখ- সাইফ হাসানের জুটি আশা দেখালে জ্যাকব ডাফির জোড়া আঘাতে দুজনই ফেরেন সাজঘরে। দলের হয়ে সাইফ করেন সর্বোচ্চ ৫৪। এরপর দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা।
মাত্র ২৫ ওভারেই ১২৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে আমিনুল ইসলাম ও মাহিদুল ইসলাম দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। তাদের ৭৯ রানের জুটি কিছুটা হলেও জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল বাংলাদেশকে।
দুজনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু এই দুই ব্যাটসম্যানকেই ব্যক্তিগত ৫২ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান ওটাগোর বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ৪৯.১ ওভারে ২৫৪ রানে অল আউট হয় সাইফ হাসানের দল। ফলে ২৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওটাগো। ওটাগোর পক্ষে ডাফি নেন ৭০ রান দিয়ে ৪ উইকেট।