কর্নওয়ালের পর চোটে বিপিএল শেষ টপলির

ছবি: প্রথমবার বিপিএল খেলতে এসে হতাশা নিয়ে ফিরতে হলো রিস টপলিকে, ক্রিকফ্রেঞ্জি

২০২৩ সালে ফরচুন বরিশালের হয়ে প্লে-অফের ম্যাচ খেলতে আসার কথা ছিল টপলির। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের লিগে খেলতে আসা হয়নি ইংলিশ এই পেসারের। বছর দুয়েক পর টপলি বিপিএলে এসেছেন সিলেটের জার্সিতে। তবে প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে এসে সুখস্মৃতি নিয়ে ফিরতে পারলেন না ইংল্যান্ডের হয়ে ৩০ ওয়ানডে ও ৩৫ টি-টোয়েন্টি খেলা এই পেসার।
বিপিএলে শাস্তি পেয়ে ডিপিএলে ২ ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব
৩১ জানুয়ারি ২৫
৯ ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে সিলেট। দল হিসেবে যেমন ভালো হয়নি তেমনি ব্যক্তিগতভাবেই আলো ছড়াতে পারেননি টপলি। সিলেটের হয়ে ৭ ম্যাচে ৯.৭৫ ইকনোমি রেট এবং ৬৩ গড়ে নিয়েছেন মাত্র ৪ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর এবার চোটে বিপিএল ছাড়তে হলো তাকে।
ডান হাঁটুর হাইপারএক্সটেনশন ইনজুরির পাশাপাশি হ্যামস্ট্রিং এবং কুঁচকির চোটে ভুগছেন টপলি। এমন অবস্থায় শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ ছেড়েছেন ৩০ বছর বয়সী ইংলিশ এই পেসার। টপলির আগে চোট নিয়ে বিপিএল ছেড়েছেন সিলেটের ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার কর্নওয়াল। ১৫ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে গেছেন।

চোট যেন পিছুই ছাড়ছে না সিলেটের। তাদের দুজনের পাশাপাশি চোটে ভুগছেন তানজিম হাসান সাকিব। সিলেটের পেস বোলিং ইউনিটের দায়িত্ব তার কাঁধে থাকলেও চোটের কারণে চট্টগ্রাম পর্বে একটি ম্যাচও খেলতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া নাহিদুল ইসলাম (পিঠে), জাকির হাসান (হাটু), জাকের আলী অনিক (পিঠ) এবং জর্জ মানজি আঙুলের চোটে ভুগছেন।
যদিও চোট নিয়েই সবশেষ কয়েকটি ম্যাচে খেলেছেন জাকির, মানজি এবং জাকের। দলে এত বেশি চোট থাকায় সবশেষ ম্যাচ শেষ হতাশা প্রকাশ করেছিলেন আরিফুল হক। সিলেটের অধিনায়ক সেদিন জানিয়েছিলেন, ব্যাক আপ ক্রিকেটার না থাকায় এক প্রকার ভাঙা-চোরা দল নিয়ে খেলতে হচ্ছে তাদের।
এ প্রসঙ্গে আরিফুল বলেছিলেন, ‘(নিজেদের) দুর্ভাগা তো মনে হচ্ছেই। রাকিমের (কর্নওয়াল) পুরো মৌসুম খেলার কথা ছিল। সেও এসে চোট পেয়ে চলে গেল। এখন দলের সবাই মনে হয় ইনজুরড। ব্যাক-আপ ক্রিকেটার বলতে কেউ নেই। ভাঙাচোরা (দল) নিয়েই খেলতে হচ্ছে।’