বুধবার চতুর্থ ও শেষ দিন শেষে ছয় উইকেটে ২৪৪ রান করে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে বিনা উইকেটে ১৫ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে তারা। জয়ের জন্য আরও ৩৯৬ রান প্রয়োজন থাকলেও শেষ দিনে এত বড় লক্ষ্য তাড়া করা কঠিন ছিল। এর মধ্যে দ্রুত পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে যায় বাংলাদেশের।
দিনের তৃতীয় ওভারে ফেরেন শাহাদাত হোসেন দিপু। কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন অধিনায়ক জাকির হাসানও। জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা থাকা দুই ব্যাটারকে দ্রুত হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর মাহফিজুল ইসলাম রবিন ৪১ রান করে ফিরলে আরও বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। ইফতেখার হোসেন ইফতি ও রিজওয়ান দুজনই আউট হন শূন্য রানে।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন অঙ্কন ও আমিনুল। ২৬৫ বল মোকাবিলা করে এই জুটি যোগ করে ১০৫ রান। তাদের ব্যাটে ভর করে দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে ম্যাচে হার এড়ানোর পথও তৈরি হয়।
তৃতীয় সেশনের শুরুর দিকে ভাঙে এই জুটি। ১৭৪ বলে ১২টি চারের সাহায্যে ৭৪ রান করে বিদায় নেন আমিনুল। এরপর অঙ্কনের সঙ্গে যোগ দেন নাঈম। বাকি সময়টা নিরাপদে কাটিয়ে দেন তারা। সপ্তম উইকেটে ১৪০ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ থেকে হারের শঙ্কা দূর করেন দুজন।
দুই জুটিতে দলকে বিপদমুক্ত করা অঙ্কন ২০৮ বলে সাতটি চারের সাহায্যে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে নাঈম অপরাজিত থাকেন ৭৯ বলে সাতটি চারের সাহায্যে ৪৯ রানে। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ছয় উইকেটে ২৪৪ রান নিয়ে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। ফলে দুই ইমার্জিং দলের প্রথম চার দিনের ম্যাচটি শেষ হয় ড্র'য়ে।