ম্যাচের শেষে নিজের কৃতিত্ব নিতে একেবারেই নারাজ কোহলি। বরং তিনি বারবার তুলে ধরলেন সতীর্থদের অবদান। বিশেষ করে দেবদুত পাড়িকালের নাম আলাদা করে উল্লেখ করেন এই ব্যাটার। পাশাপাশি বোলারদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
কোহলি বলেন, 'এ নিয়ে দ্বিতীয় বার দেবদুত এমন ইনিংস খেলল। ওকে কখনও ধরে খেলতে দেখবেন না, তবুও এত খোলা মনে ব্যাট করতে পারে। আমাদের ইনিংসের প্রথম ভাগে ওর ব্যাটিংই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'আমি চেয়েছিলাম উইকেটে টিকে থাকতে, যাতে ওর উপর চাপ না পড়ে। বল করার সময়ও আমরা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। এক সময় মনে হচ্ছিল ২৩০-২৩৫ রান উঠবে, তখনই বুঝেছিলাম পিচ ব্যাট করার জন্য খারাপ নয়।'
আগে ব্যাটিং করে সাই সুদর্শনের ৫৮ বলে ১০০ এবং শুভমান গিলের ২৪ বলে ৩২ রানের সুবাদে তিন উইকেটে ২০৫ রান করে গুজরাট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোহলির মতো হাফ সেঞ্চুরি হাঁকান পাড়িকালও। ২৭ বলে ৫৫ রান করেন তিনি।
চলতি মৌসুমে নিজের দলের ব্যাটিং নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট কোহলি। তার মতে, 'এই মৌসুমে ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ পরিবেশ পেয়েছি। জানতাম, বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারলে বোলারদের কাজ কঠিন হয়ে যাবে। দেবদুত খুব ভালো খেলছিল, তাই ওদের উপর চাপ তৈরি করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য।'
দলের সামগ্রিক শক্তির কথাও তুলে ধরেন কোহলি, 'আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান ব্যাটার রয়েছে, যারা বড় শট খেলতে পারে। আবার চতুর ক্রিকেটারও আছে, যারা পরিস্থিতি বুঝে খেলতে পারে। সেই কারণেই আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারি।'
চলতি মৌসুমে নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলল বেঙ্গালুরু। প্লে-অফে আবার এই মাঠে ফেরার আশা প্রকাশ করে কোহলি বলেন, 'এখানে খেলে খুবই ভালো লেগেছে। আশা করি আবার এই মাঠে ফিরতে পারব।'