কিউইদের হারিয়ে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে সরফরাজ বাহিনী

ছবি:

নিউজিল্যান্ড সফরে ভাগ্যের শিকে যেন একেবারেই ছিঁড়ছিলো না সফরকারি পাকিস্তান দলের। কিউইদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবল ধোলাইয়ের লজ্জাতেও পড়তে হয়েছে তাদের।
পাকিস্তানিদের এরূপ পারফর্মেন্সে সমর্থকেরা যখন বেশ হতাশ তখনই তাদের ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দেয়ার ব্যবস্থা করলো সরফরাজ আহমেদের দল। তবে ওয়ানডে সিরিজে কিউইদের কাছে পাত্তা না পেলেও টি টোয়েন্টি সিরিজে নিজেদের শক্তিমত্তা ঠিকই দেখাতে সক্ষম হয়েছে পাকিস্তানিরা।
কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ এ জিতে নিয়েছে সফরকারি পাকিস্তান। রবিবার (২৮শে জানুয়ারি) মাউন্ট ম্যাঙ্গানুইয়ে সিরিজের শেষ টি টোয়েন্টিতে কিউইদের ১৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় সরফরাজ বাহিনী।
আর এই জয়ে আইসিসির টি টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে পাকিস্তান। এদিন শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ফখর জামান, সরফরাজ আহমেদ, উমর আমিন এবং হ্যারিস সোহেলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮১ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।

ওপেনার ফখর সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৪৬ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন অধিনায়ক সরফরাজ। অপরদিকে উমর ২১ এবং হ্যারিস অপরাজিত ২০ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ২টি করে উইকেট শিকার করেন ইশ সোধি এবং মিচেল স্যান্টনার।
দুই বোলারই ৪ ওভার করে করলেও বেশ খরুচে ছিলেন সোধি। ৪৭ রান দিয়েছেন তিনি। অপরদিকে স্যান্টনারের ওভার থেকে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানেরা নিয়েছেন মাত্র ২৪ রান।
১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওপেনার মার্টিন গাপটিল দারুণ একটি অর্ধশতক হাঁকালেও পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৬ উইকেটে ১৬৩ রানেই থেমে যায় কিউইরা।
গাপটিলের ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংসটি ছাড়াও কিউইদের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন রস টেইলর। এছাড়াও মিচেল স্যান্টনার ২৪, টম ব্রুস ২২ এবং আনারু কিচেন ১৬ রান করেন।
পাকিস্তানের পক্ষে ৪ ওভারে ১৯ রান খরচায় ২টি উইকেট শিকার করেছেন শাদাব খান। অপরদিকে আমির ইয়ামিন, রুম্মান রাইস, মোহাম্মদ আমির এবং ফাহিম আশরাফ প্রত্যেকে নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।
উল্লেখ্য সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটের বড় জয়ের দেখা পেয়েছিলো স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৮ রানের জয় দিয়ে সিরিজে ফিরে আসে পাকিস্তান।