হিথ স্ট্রিককে নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না সুজন

ছবি:

জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক হিথ স্ট্রিক বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব ছেড়েছেন আরও ২ বছর আগে। দায়িত্ব ছাড়ার পর আর বাংলাদেশে আসা হয়নি তার। তবে শুক্রবার প্রথম ঢাকায় এসেছেন তিনি।
কিন্তু স্ট্রিকের এবার বাংলাদেশ সফরটাকে ভিন্ন চোখে নিচ্ছে টাইগাররা। কারণ বর্তমানে নিজ দেশ জিম্বাবুয়ে দলের হেড কোচের দায়িত্বে আছেন সাবেক এই ডানহাতি পেসার। তাই বাংলাদেশ দলের লড়াইটা শুধু সিকান্দার রাজা বা ক্রিমারদের সঙ্গেই নয়, হিথ স্ট্রিকের সঙ্গেও।
সফরকারীদের প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশের বিপক্ষেই। আর বাংলাদেশের বোলারদের নিয়েই অনেকদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে স্ট্রিকের। টাইগার বোলারদের শক্তি এবং দুর্বলতা সম্পর্কে জানা আছে তার।
তারপরও স্ট্রিককে নিয়ে চিন্তায় নেই বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজম্যান্ট। টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্বে থাকা খালেদ মাহমুদ সুজন নিজেই জানিয়েছেন, স্ট্রিক বাংলাদেশের সাথে কাজ করলেও বিগত দুই বছরে টাইগাররা যে উন্নতি করেছে যেটা তিনি কাছ থেকে দেখেননি। তিনি বলেন,

'ক্রিকেট এখন আরো বেশি আধুনিক হচ্ছে। সব দলেরই স্কিল আছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো তা মাঠে প্রয়োগ করা। মাশরাফির যেমন একটা স্ট্রং জোন আছে, মুস্তাফিজ যেমন কাটারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, বিশেষ করে এই ফরম্যাটে। প্রত্যেকটা ছেলেরই এ রকম স্কিল আছে।
আর হিথ স্ট্রিক যতোই জানুক; তারা আসলে গত দুই বছরে আমরা কতোটা উন্নতি করেছে; তা দেখেনি। আমি যেটা মনি করি যে, ধারাবাহিকতা ধরে রাখার যে কাজ, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করেছি। এই পর্যায়ের ক্রিকেটে আপনাকে নিখুঁত হতে হবে। একই সাথে মাইন্ডসেট এবং প্রতিটি বলে মনোযোগ রাখা। সুতরাং কখন কী বল হবে বা কেমন প্রয়োগ হবে, আমি মনে করি সেটাই সবচেয়ে বড় জিনিস।'
ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে পুরো দলকে চাপমুক্ত রাখাই সুজনের মূল লক্ষ্য। দলের সবার সঙ্গে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে যেকারণে সব কিছু নিয়ে নির্ভার আছেন নিজেও। সুজন বলেন,
'প্রেশারের কিছু নাই। এর চেয়ে বেশি প্রেশার আমি নিয়েছি। আমার কাছে তাই এটাকে প্রেশার মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় একটা সুযোগ আমার জন্য। যাদের সঙ্গে আমি কাজ করছি, এরা আমার চেনা।
তারা সবাই খুবই সহায়তাপরায়ণ। টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গেও আমি সাড়ে তিন বছর কাটিয়েছি। প্লেয়ারদের মধ্যে… মাশরাফি তো বলতে গেলে আমার টিমমেটই। সুতরাং আমার জন্য এদের সঙ্গে করা সহজই।'