হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে পথ দেখান ইংলিস। ১০২ বলে ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ৪২তম ওভারে সিকান্দার রাজার বলে বোল্ড হন তিনি। তার বিদায়ের সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল আরও ৪৫ রান।
এরপর অ্যাডাম জাম্পাকে সঙ্গে নিয়ে ১৮ রানের জুটি গড়েন এলিস। জাম্পা ৯ রানে ফিরলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে দাঁড়ায় আরও কঠিন সমীকরণ। শেষ উইকেটে স্পেন্সার জনসনকে নিয়ে বাকি ২৭ রান পেরিয়ে যান এলিস। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৯ রান। প্রথম বলেই ছক্কা মেরে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন তিনি। ম্যাচে এক বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচ শেষে ইংলিস বলেন, 'আমার মনে হয়, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আবারও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হব এবং বিশ্বকাপ যখন মাত্র ১২ মাস দূরে, তখন আজ ওরা যা করতে পেরেছে, তা ওদের মনে একটা ভালো অনুভূতি তৈরি করবে। পরেরবার এমন পরিস্থিতি এলে কীভাবে তা সামলাতে হবে, সে সম্পর্কে ওদের আরও ভালো ধারণা থাকবে।'
বল হাতে তিন উইকেট নেয়ার পর ব্যাট হাতে অপরাজিত ৩৬ রান করে জয়ের নায়ক হন এলিস। এক দিনের ক্রিকেটে এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১৮ রান। লিস্ট 'এ' ক্রিকেটেও এটি তার সর্বোচ্চ ইনিংস।
শেষ ওভারে এলিসের ছক্কাটি নিয়ে ইংলিস বলেন, 'আমি জানি, এলিস এটা নিয়ে অনেক অনুশীলন করে। সে অনেক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে এবং সেখানে যখন সে ব্যাট করতে নামে, বড় শট খেলার সামর্থ্য তার আছে। ওই শটটি ছিল দুর্দান্ত এবং শেষ ওভারে আমাদের সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল।'
নিজে ম্যাচ শেষ করতে না পারায় আক্ষেপ থাকলেও নিজের ব্যাটিংয়ে সন্তুষ্ট ইংলিস। চার নম্বরে ব্যাটিংয়ের বাড়তি দায়িত্বও অনুভব করছেন তিনি, 'আমি যেভাবে খেলতে চেয়েছিলাম তা হলো, মাঝের ওভারগুলোতে আধিপত্য বিস্তার করা, স্কোরবোর্ড সচল রাখা এবং শেষের দিকে টিকে থাকা। একদম শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারিনি বটে, তবে ৪০ ওভার পর্যন্ত টিকে থেকে সেঞ্চুরি করতে পেরে আমি খুশি।'