আগামী মৌসুম থেকে টুর্নামেন্টের আট ফ্র্যাঞ্চাইজির চারটি আংশিকভাবে আইপিএল-সংশ্লিষ্ট মালিকানায় থাকবে। ২০০৯ সাল থেকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বন্ধ রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে হান্ড্রেডের নিলাম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গোল্ড গত বছর নতুন মালিকদের সতর্ক করে বলেছিলেন, 'সব দেশের খেলোয়াড়ই সব দলে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।' বোর্ডের একজন মুখপাত্রও জানিয়েছেন, '১৮টি দেশের প্রায় এক হাজার ক্রিকেটার নিলামে নিবন্ধিত হয়েছেন, যেখানে পাকিস্তান থেকেও পঞ্চাশের বেশি খেলোয়াড় আছেন।'
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা একজন এজেন্টকে ইঙ্গিত দেন যে, আইপিএল-সংযুক্ত নয়- এমন দলগুলোর মধ্যেই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের প্রতি আগ্রহ সীমিত থাকতে পারে। এক এজেন্টের ভাষায়, 'এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো, ভারতীয় বিনিয়োগ থাকা লিগগুলোতে এমনটাই দেখা যাচ্ছে।'
ম্যানচেস্টার অরিজিনালস, ওভাল ইনভিনসিবলস, সাউদার্ন ব্রেভ ও নর্দার্ন সুপারচার্জার্স- এই চার ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানায় আইপিএল-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মন্তব্যের অনুরোধে তিনটি দল সাড়া দেয়নি। একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির উপপ্রধান বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য দুটি প্রতিযোগিতায় সেরা দল গঠন করা, এর বাইরে অন্য কোনো আলোচনা হয়নি।'
গত মৌসুমে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম দ্য হান্ড্রেডে খেলেছিলেন। এর আগে শাহীন আফ্রিদি, শাদাব খান ও হারিস রউফও অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন বিনিয়োগকারীরা দায়িত্ব নেয়ার পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এমন প্রবণতা নতুন নয়। সাউথ আফ্রিকার এসএটোয়েন্টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি-টোয়েন্টিতেও আইপিএল-সংশ্লিষ্ট মালিকানার দলগুলো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দলে নেয়নি। এক এজেন্ট বলেন, 'আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কিছু বলবে না, তবে বাস্তবতা সবাই জানে, ভারতীয় মালিকানাধীন দলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সুযোগ খুবই সীমিত।'