জবাবে ৮ উইকেটে ২৮৭ রান করে থামে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের ইনিংস। বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভালো শুরু পায়নি গাজী। ১৮ রান করে ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার। পরের ৩ ব্যাটার আউট হয়েছেন দুই অঙ্কে পৌঁছানোর আগেই। ইমন আলী ৭, প্রিতম কুমার ৪ ও সালমান হোসেন ইমন ৪ রান করে আউট হয়ে যান।
শোভন মোড়ল ৩৪ বলে ৫৬ রান করেন। সাব্বির হোসেন সেঞ্চুরি করেও দলের বড় হার এড়াতে পারেননি। তিনি ৯৫ বলে ১০৪ রান করে আউট হন। শেষদিকে মাহফুজুল ইসলাম ৩০ রান করে শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। গাজীর ইনিংস গুঁড়িয়ে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার ৩৬ রানে ৪ উইকেট নেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। একটি উইকেট পান তাসকিন আহমেদ।
আগেরদিন টসে জিতে মোহামেডানকে ভালো শুরু এনে দেন এনামুল হক ও নাইম শেখ। ওপেনিং জুটিতে ১০৭ রান তোলেন দুজনে মিলে। ৬০ বলে ৫৩ করে নাইম বিদায় নেওয়ার পর উইকেটে আসেন হৃদয়। শুরুতে কিছুটা ধৈর্যের পরিচয় দিলেও হাত খুলে খেলতে বেশি সময় নেননি তিনি। প্রথমে চড়াও হন মোহাম্মদ রুবেলের ওপর।
যদিও হাফ সেঞ্চুরির আগে কিছুটা সময় নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে পূর্ণ করেন হাফ সেঞ্চুরি। এরপর আর কোনো বোলারকেই পাত্তা দেননি হৃদয়। হাফ সেঞ্চুরি থেকে সেঞ্চুরি তুলে নিতে ১৯ বল লেগেছে হৃদয়ের। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসে চার ৮টি, ছক্কা ছিল ৪টি।
পাশাপাশি মুশফিক ৬৮ বলে ৬২ রান করে এনামুলের বিদায়ের পর ২৫তম ওভারে ক্রিজে যান মুশফিক। তিনি ১৫ বলে ৩৩ রান তুলে ঝড়ো ইনিংস শুরু করেন। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। এরপর আরও ২০ বল খেলেই সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। হৃদয়ের সঙ্গে ১৬ ওভারে ১৭৩ রান তুলেন তারা। শেষদিকে ইয়াসির আলী রাব্বি ৯ রান করে আউট হন। ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ হোসেন।