গ্রিনের চোটই সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ। কাঁধের সমস্যায় পুরো ওয়ানডে সিরিজে বোলিং করতে পারেননি তিনি। তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের সময় কুঁচকিতে আঘাত পাওয়ার পর বড় শট খেলতে গিয়ে আবারও অস্বস্তিতে পড়েন। এরপর আর মাঠে ফেরেননি গ্রিন। অথচ এই ম্যাচেই দীর্ঘ বিরতির পর বোলিংয়ে ফেরার কথা ছিল তার।
রেনশ চোট পেয়েছেন ফিল্ডিংয়ের সময়। রায়ান রিকেলটনের জোরালো পুল শট তার ডান কবজিতে আঘাত করে। ব্যথায় মাঠ ছাড়ার পর আর ফেরেননি তিনি। দুই চোটের ফলে শেষ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ফিট খেলোয়াড় ছিল মাত্র ১২ জন। জশ হ্যাজলউডকে টেস্ট সিরিজের আগে বিশ্রাম দেওয়ায় মার্নাস ল্যাবুশেন ও বিউ ওয়েবস্টারকে বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামাতে হয়।
ম্যাচ শেষে গ্রিন ও রেনশর চোটের মাত্রা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মিচেল মার্শ। তবে গ্রিনকে ম্যাচটিতে কয়েক ওভার বোলিং করানোর পরিকল্পনা ছিল বলে জানান তিনি। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আলাপে মার্শ বলেন, ‘গ্রিন আজ কয়েক ওভার বোলিং করার জন্য প্রস্তুত ছিল। সে ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিল। তাকে বোলিং করতে পারলে ভালো লাগত। তবে সেটা আর হলো না। আশা করি, তার প্রস্তুতিতে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’
এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে আঙুলে চোট পেয়ে দেশে ফিরে গেছেন জশ ইংলিস। টেস্ট সিরিজে তার খেলা এখনো অনিশ্চিত। অ্যালেক্স ক্যারির বিকল্প উইকেটকিপার এবং স্কোয়াডের অতিরিক্ত ব্যাটার হিসেবে ইংলিস গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তাই তার অনুপস্থিতিও টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বাড়তি চিন্তার কারণ।
তবে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে স্বস্তির খবর প্যাট কামিন্সের বোলিংয়ে ফেরা। তৃতীয় ওয়ানডেতে পাঁচ ওভার বোলিং করেছেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর বল হাতে ফিরলেও ম্যাচটিতে নেতৃত্ব দেননি কামিন্স। টেস্ট সিরিজের আগে তার ওয়ার্কলোড নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবেই ধাপে ধাপে তাকে ফেরানো হচ্ছে।
সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজ শুরু হবে ৯ অক্টোবর ডারবানে। দ্বিতীয় টেস্ট ১৮ অক্টোবর গকেবেরহায় এবং তৃতীয় টেস্ট ২৭ অক্টোবর কেপটাউনে। সিরিজ শুরুর আগে গ্রিন ও রেনশর চোট কতটা গুরুতর, সেটিই এখন অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় প্রশ্ন।