অভিষেকটা অবশ্য বেশ রঙিন হয়েছিল এই পেসারের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই টেস্টে প্রথম স্পেলেই বেন ডাকেট, অলি পোপ ও জ্যাক ক্রলিকে ফিরিয়ে তিন উইকেট নেন তিনি। বিশেষ করে ক্রলিকে শুরুতে নো-বলের কারণে হারানো উইকেটটি পরে আবার তুলে নিয়ে অভিষেককে আরও স্মরণীয় করে তোলেন এই পেসার।
নিজের অভিষেকের গল্প বলতে গিয়ে ইন্ডিয়া টুডেকে আকাশ দীপ বলেন, 'রাহুল স্যার আমাকে মেসেজ করে জানিয়েছিলেন, ‘তুমি কাল খেলছ।’ তার নম্বর আমার ফোনে সেভ করা ছিল না, তাই মেসেজটি প্রথমে দেখিনি।'
নম্বরটি চিনতে পেরে দ্রাবিড়কে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।সেই সময় একাদশে থাকবেন কি না, তা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলেন আকাশ। আকাশ দীপ বলেন, 'আমি চিন্তায় ছিলাম, কারণ খেলব কি না তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। পরে মেসেজটি আবার দেখে বুঝলাম, এটা রাহুল স্যারের নম্বর। তাকে ফোন করে বলেছিলাম, ‘স্যরি স্যার, আপনার নম্বর সেভ করা ছিল না, তাই মেসেজটি মিস করেছি।’
আকাশের টেস্ট অভিষেকের পথটা অবশ্য মোটেও সহজ ছিল না। বিহারের সাসারাম থেকে কাজের সন্ধানে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়া এই পেসার পরে কলকাতায় ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করেন। ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ে দুই মাসের ব্যবধানে বাবা ও বড় ভাইকে হারিয়ে প্রায় তিন বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন। এরপর আবার ফিরে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।
রাঁচিতে অভিষেকের সুযোগকে তাই ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখেছিলেন আকাশ। আকাশ দীপ বলেন, 'খুশি ছিলাম, তবে এটাকে সুযোগ হিসেবে দেখেছিলাম। মনে হয়েছিল, এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সুযোগ। ২২-২৩ বছরে যা কিছু করেছি, এই পাঁচ দিন ছিল তার পরীক্ষা।'